খবর লাইভ : গরুপাচার মামলার তদন্তে ধীরে ধীরে নতুন মোড়ের দেখা মিলছে। সিবিআইয়ের হাতে অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির পর ৮ দিন পার হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, এরই মধ্যে নিত্য নতুন তথ্য হাতে পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার সিবিআই সূত্রে খবর, গরুপাচারের টাকার অ্যাকাউন্ট থেকে অ্যাকাউন্ট লেনদেনেও ছিল শতাংশর খেলা। এই পাচার কারবারের বেশিরভাগটাই চলত নগদ টাকার লেনদেনে।
আরও পড়ুনঃ রাজনীতিতে বর্ণময় চরিত্র অনুব্রতর ভাই সুমিত
সিবিআই সূত্রে খবর, যাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে গরুপাচারের টাকা নিজের, মেয়ে ও পরিবারের সদ্যদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছেন অনুব্রত মণ্ডল, সেই অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে দেওয়া হত টাকার একটা পার্সেন্টেজ। সেই পার্সেন্টেজ নির্ভর করত কত টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে অ্যাকাউন্ট-এ ট্রান্সফার করা হয়েছে তার ওপর। সূত্রের খবর, এবার সেই সকল অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ডাকতে চলেছে সিবিআই।
সিবিআই সূত্রে খবর, সায়গল হোসেন কাছে তথ্য অনুযায়ী, প্রচুর জমি কম দামে কেনা হয়েছিল। তার বিনিময়ে গরুপাচারে মূল অভিযুক্ত এনামূল হকের কাছে চলে যেত সেই গরু। পরে সেগুলিই পাচার হত। একদিকে গরুপাচার, তার জন্য কম দামে জমি কেনার কারবার। অনুব্রতর বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলেই সিবিআইয়ের ইঙ্গিত।
অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী সায়গলকে জেরা করে সন্ধান মিলেছে মন্টু মল্লিক নামে এক ব্যক্তিরও। সূত্রের খবর, এই মন্টু মল্লিক পাচার করার গরু এনামূলের নামে রসিদ দেখিয়ে বিক্রি করত। বলা হত গরু লোকাল হাটে বিক্রি হয়েছে। গতকালই আসানসোল জেলে গিয়ে সায়গলকে জেরা করে সিবিআই। একদিকে গরুপাচার মামলায় নিজাম প্যালেসে অনুব্রতকে জেরা করছে সিবিআই। পাশাপাশি এদিন আসানসোল জেলে পৌঁছে যান সিবিআই-র ৩ জন অফিসার। অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীকে সেখানেই জেরা করেন ওই তদন্তকারী অফিসারেরা।




