খবর লাইভ : বৃহস্পতিবার সকালেই বোলপুরের নীচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই গোয়েন্দারা। ১০-১২টি গাড়ির কনভয় নিয়ে পৌঁছন সিবিআই অফিসাররা। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির বাড়ি ঘিরে ফেলা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গরুপাচার মামলায় সিবিআই-এর হাতে আটক হন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রতর মণ্ডল। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিবিআই-এর তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। এই খবরে যখন তোলপাড় চলছে বাংলায়, তখন প্রেসিডেন্সি জেলের ‘পহেলা বাইশ’ ওয়ার্ডের দু’নম্বর সেলের বাইরে ঘোরাঘুরি করছিলেন এসএসসি কাণ্ডে জেল হেফাজতে থাকা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেল সূত্রের খবর, অনুব্রত গ্রেফতার হয়েছেন শোনা মাত্রই পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, ”ও-ও কি এই জেলেই আসবে?”
আরও পড়ুনঃ অনুব্রতকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
বস্তুত একের পর এক মামলায় প্রবল চাপ বাড়াতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। শুধু তাই নয়, গ্রেফতার হচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল শীর্ষ নেতা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ায় আরও চাপ বেড়েছে তৃণমূলের উপর। এরই মধ্যে ইডি সূত্রের খবর, শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায় নন, তার পরিবারে অন্য সদস্যরাও আর্থিক দিক থেকে লাভবান হয়েছেন। এমনই তথ্য হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র।
এই তথ্যই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কফিনে শেষ পেরেক বলেই মত ওয়াকিবহল মহলের। হেফাজতে থাকাকালীন তদন্তে অসহযোগিতা ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সঙ্গে তেমন কোন সম্পর্ক না থাকার কথা জানালেও তথ্য কিন্তু বলছে অন্য কথা। এমন এক নথি সামনে এসেছে তাতে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের শুধু মুখ চেনা সম্পর্ক নয়, আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক সামনে এনেছে। তাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী, কন্যা ও জামাই সমভাবে জড়িত তার তথ্য প্রমাণ ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ইডি।




