খবর লাইভ : বিধায়কদের সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় একতরফা ভাবে তৃণমূলকে জড়িয়ে প্রচারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবেই দেখছে ঘাসফুল শিবির (One party is being targeted in disproportionate assets case claim TMC leaders Firhad-Bartya) । বুধবার এর প্রতিবাদে বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) নেতারা । সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পৌরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং ছিলেন প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহা ।
আরও পড়ুনঃ অষ্টমবারের জন্য মসনদে বসে মোদিকে হুঁশিয়ারি নীতীশের
ফিরহাদ হাকিম দাবি করেন, 2017 সালের যে জনস্বার্থ মামলার (Public Interest Litigation) উপর ভিত্তি করে তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি জনস্বার্থ মামলা নয় ৷ বরং সেটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা । এর মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে ।’’
এদিন রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু অভিযোগ করেন, ‘‘মূল মামলায় তৃণমূলের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম রয়েছে ৷ অথচ সংবাদমাধ্যমের একাংশ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শুধুমাত্র তৃণমূলকে নিয়ে প্রচারে নেমেছে ।’’ সাংবাদিক সম্মেলনে আদালতের মূল রায়ের কপির অংশ পড়ে শোনান ব্রাত্য । তিনি উল্লেখ করেন, এই মামলায় নাম রয়েছে সূর্যকান্ত মিশ্র, অধীর চৌধুরী, অশোক ভট্টাচার্য, আবু হেনা, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, নেপাল মাহাতোর মতো অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদেরও । তাহলে কেন শুধুমাত্র তৃণমূলকে বদনাম করা হচ্ছে ! তাঁদের দাবি, যদি বলা হয় কার কার আয় বেড়েছে, এই অবস্থায় সব রাজনৈতিক দলের কথাই বলা উচিত । বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করার প্রয়াস বন্ধ হওয়া উচিত ।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ফিরহাদ হাকিম, ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটকদের মূল বক্তব্য ছিল, ‘‘যদি আমাদের আয় সঙ্গতিবিহীন হয়, তাহলে কেন ইনকাম ট্যাক্সে তা গৃহীত হল ।’’ শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট বলেছেন, ‘‘আইনি লড়াই তা কিভাবে করতে হবে, আমরা তৃণমূল নেতারা জানি । এই জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাইছি না । কিন্তু যেভাবে একতরফাভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করতে ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসানো হচ্ছে, আমরা তার বিরোধিতা করছি ।’’
ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‘সিপিএম রাজনৈতিক লড়াই না লড়তে পেরে তাদের বিটিম বিজেপিকে এই কাজে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে ।’’ তিনি এও কটাক্ষ করেছেন, বিজেপি নেতাদের আয়ের হিসেব করলে তাঁদের আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে ৷




