Special News Special Reports State

দরজা ভেঙে অর্পিতার পণ্ডিতিয়ার ফ্ল্যাটে ইডি-র তল্লাশি

0
(0)

খবর লাইভ : রোজ-ই কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা জায়গা থেকে উদ্ধার হচ্ছে বস্তা-বস্তা টাকা। ইতিমধ্যেই পণ্ডিতিয়ায় এক অভিজাত আবাসনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি ফ্ল্যাটের হদিশ পেয়েছে ইডি। গত মঙ্গলবার সেখানে যায় ইডি আধিকারিকরা! কিন্তু ঢুকতে পারেননি, তাই আজ ফের পণ্ডিতিয়া রোডের ফোর্ট ওয়েসিসে হানা দিল ইডি। সঙ্গে চাবিওয়ালা। আবাসনের ব্লক ৬-এর ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে চলবে তল্লাশি।

আরও পড়ুনঃ সামান্য ধূপকাঠি বিক্রেতা থেকে একেবারে শিক্ষা দফতরের চাকরি অর্পিতার বোনের!

আজ পুরদস্তুর প্রস্তুতি নিয়ে পণ্ডিতিয়ায় এসেছে ইডি। সঙ্গে আসা চাবিওয়ালা ছেনি-হাতুড়ি দিয়ে ফ্ল্যাটের দুটি দরজাই ভাঙেন। যে-সে দরজা নয়! এক্কেবারে চিন থেকে আনানো হয়েছে ব্লক ৬-এর ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের এই দরজা। চাবিওয়ালা জানান, বছর দেড়েক আগেই তিনি শুনেছিলেন এই আবাসনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট রয়েছে, তবে কত নম্বর ফ্ল্যাট তা জানতেন না! জানা যাচ্ছে, দরজাটি বানানো হয়েছিল ২০১০ সালে।
জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটের মালিকানা রয়েছে স্মিতা ঝুনঝুনওয়ালার নামে।অর্পিতার নামে না হওয়ায়, মঙ্গলবার ফ্ল্যাটের তালা ভাঙা যায়নি। তাই সিল করে দেওয়া হয় ফ্ল্যাট। খোঁজ চলে স্মিতার। যোগযোগ করার চেষ্টা করা হয় ফোনে, কিন্তু কেউ ফোন ধরেনি! যেহুতু ফ্ল্যাট অর্পিতার নামে নয়, তাই সেখানে তল্লাশি চালানোর আগে স্থানীয় থানার অনুমতি নিতে হয় ইডি-কে। এছাড়া রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত বেশ কিছু সম্পত্তিতে অর্পিতা-পার্থ যোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে স্থানীয় থানা, রয়েছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ-ও।
শুক্রবার পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে থাকতে হবে ইডি হেফাজতে। তাই বৃহস্পতিবার সকাল দশটা থেকেই পার্থ-অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২সালে ১ নভেম্বর খোলা হয়েছিল অপা ইউটিলিটিজ সার্ভিসেস, যেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-দুজনেরই শেয়ার ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য।
সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে দেখা হচ্ছে। গত ৯ বছরে তারা কী কী কাজ করেছেন এই পার্টনারশিপ, এর মাধ্যমেই চারটি ফ্ল্যাট কেনার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। নতুন করে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এ বিষয়ে। ইডি মনে করছে, জিজ্ঞাসাবাদে আরও নতুন বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলতে পারে।

ইডি সূত্রে খবর, অপা ইউটিলিটিজ কোম্পানির ডিট দেখে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে, ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে এই পার্টনারশিপ কোম্পানি তৈরি হয়েছিল এবং নিয়মিত এই কোম্পানির ব্যালেন্স শিট জমা দিয়ে ইনকাম ট্যাক্স জমা দিত। গত ৯ বছর ধরে কীভাবে কাজ করেছে এই সংস্থা, সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই কোম্পানির কথা সামনে আসে ইডি আধিকারিকদের।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *