games Special News Special Reports

শেষ ওভারে মিলার ধামাকা, পরপর তিনটি ছয়; ফাইনালের টিকিট গুজরাটের

0
(0)

খবর লাইভ  : ইডেনে পুনর্জন্ম ‘কিলার মিলারের’। শেষ ওভারে ছয়ের হ্যাটট্রিক। হাতে আইপিএল ফাইনালের টিকিট। মঙ্গলবার ইডেনে প্লে অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আবির্ভাবেই আইপিএলের ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স। ১৮৮ রান তাড়া করতে নেমে ৩ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে নেয় এই নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। ম্যাচ শেষ বল পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাননি মিলার। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর প্রথম তিন বলে পরপর বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে গুজরাটকে ইতিহাসের পাতায় তুললেন কিলার মিলার। চতুর্থ উইকেটে হার্দিক-মিলার জুটি যোগ করে ১০৬ রান। আইপিএলের নকআউট পর্বে রান তাড়া করতে নেমে অন্যতম সেরা পার্টনারশিপ। এদিন মিলারে ম্লান বাটলার। ৩৮ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তাতে রয়েছে ৫টি ছয় এবং ৩টি চার। অথচ গুজরাটের ইনিংসের শুরুটা ভাল হয়নি। অভিমানী ইডেন খালি হাতে ফেরায় বাংলার দুই ক্রিকেটারকে। ঋদ্ধিমান সাহা এবং মহম্মদ শামি, ব্যর্থ দু’জনেই। ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে বাংলার উইকেটকিপার ব্যাটার জানিয়েছিলেন, ইডেন আর তাঁর হোম গ্রাউন্ডে নয়। একদিন পর সেটাই যেন সুদে আসরে ফেরত দিল ক্রিকেটের নন্দনকানন। মাত্র এক বল ক্রিজে টেকেন ঋদ্ধি। দ্বিতীয় বলেই আউট। অন্যদিকে ৪ ওভার বল করে ৪৩ রান দিয়ে মাত্র এক উইকেট পান শামি।

ইডেনে বাটলার শো। গত তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে আবার রানে ফেরেন রাজস্থানের ওপেনার। বাটলারের ব্যাটে ভর করেই রানের পাহাড়ে রাজস্থান রয়্যালস। ইডেনে বৃষ্টি হল। তবে চার, ছয়ের। বাটলারের দক্ষিণ্যে।

প্রথম কোয়ালিফায়ারে ১৮৮ রান তোলে রাজস্থান। ঋদ্ধিমান সাহাদের জিততে হলে করতে হত ১৮৯ রান।রান তাড়া করতে নেমে শূন্য রানে ফিরে যান ঋদ্ধি। তাঁর ঘরের মাঠের দর্শকদের ব্যাট হাতে নিরাশ করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাথু ওয়েড এবং শুভমন গিল ৭২ রানের জুটি গড়েন। শুভমন ব্যাট করার ইডেন থেকে ‘কেকেআর, কেকেআর’ আওয়াজও শোনা যায়। গত মরসুম পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলা শুভমনের কাছেও ইডেন যে ঘরের মাঠই ছিল একসময়। ২১ বলে ৩৫ রান করেন তিনি। ওয়েডও ৩৫ রান করে আউট হন।

তখনও ম্যাচ জয়ের থেকে অনেকটাই দূরে গুজরাত। কিন্তু হার্দিক পাণ্ড্য এবং ডেভিড মিলারের জুটি জয় এনে দিল তাদের। ৬১ বলে ১০৬ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। হার্দিক করলেন ২৭ বলে ৪০ রান। মিলার ৩৮ বলে ৬৮ রান করেন। তাঁদের অপরাজিত জুটিই জয় এনে দিল। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। মিলার একাই তিনটি ছয় মেরে ম্যাচ জিতিয়ে দেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *