Special News Special Reports

তিন দিন বন্ধ থাকবে নেপাল সীমান্ত, অনুমতি পাবেন না পর্যটকরাও!

0
(0)

খবর লাইভ : আগামী ১৩ মে শুক্রবার নেপালে পুরসভা ভোট। ভোটের জন্য আজ থেকে তিনদিনের জন্য সিল করে দেওয়া হল ভারত-নেপাল সীমান্ত। এ বিষয়ে নেপালের ঝাঁপা জেলা প্রশাসন সীমান্ত বন্ধ রাখার ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন- জাতীয় সড়ক দিয়ে যাতায়াত করার খরচ আরও বাড়ল!

নেপাল সরকারের এই সিদ্ধান্তেই বিপাকে পড়েছেন ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত সংলগ্ন হাজার খানেক ব্যবসায়ীরা। তিনদিনে কয়েক কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি এখানকার শ্রমিকরাও তিনদিনের জন্য নেপালে কাজ করতে যেতে পারবেন না। নেপালে নির্বাচনের জন্য ভারতের পাশাপাশি চীন লাগোয়া সীমান্তগুলিও বন্ধ করা হয়েছে বলে নেপাল প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। নেপাল প্রশাসন সূত্রে খবর, ১৩ মে ভোট হলেও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দু’দিন আগেই সীমান্ত সিল করা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সঙ্গে নেপালের সীমান্ত রয়েছে। শিলিগুড়ি হয়ে নেপালে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পানিট্যাঙ্কির ব্যবসা নেপালের উপরেই নির্ভরশীল। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সহ সম্পাদক রোশন গোস্বামী জানান, পানিট্যাঙ্কিতে নথিভুক্ত ১২১০ জন ব্যবসায়ী আছেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সংখ্যা দুশোর বেশি। দুই দেশের মধ্যে প্রতিদিন কয়েকশো পণ্যবোঝাই গাড়ি চলাচল করে। মূলত নেপালের গ্রাহকরা এখান থেকে জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যান। ব্যবসায়ীদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ে নেপালের সঙ্গে দৈনিক প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ব্যবসা হয়।

আরও পড়ুন: নদীও মাফিয়াদের কব্জায়, গড়ে উঠেছে অবৈধ সেতু, শাসক-বিরোধী তরজা!

পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী বলেন, ‘আমদের ক্রেতাদের ৯০ শতাংশই নেপালের নাগরিক। নেপালে নির্বাচনের জন্য তিনদিন সীমান্ত বন্ধ থাকায় ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছি। করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠলেও এখনও বাজারের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। আগে দৈনিক পাঁচ কোটি টাকার ব্যবসা হলেও এখন দেড় কোটি টাকার মতো ব্যবসা এখানে হচ্ছে।’

প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী শনিবার থেকে ফের পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত খুলে যাবে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দৈনিক প্রায় ২০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। দার্জিলিং জেলার অধীনে দু’টি সীমান্ত রয়েছে। একটি পানিট্যাঙ্কি,অন্যটি পশুপতি ফটক। এর মধ্যে পানিট্যাঙ্কি-কাঁকরভিটা সীমান্ত নেপালের ঝাঁপা জেলার অধীনে। পশুপতি ফাটক-পশুপতিনগর সীমান্তটি নেপালের ইলাম জেলার অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ২১ মার্চ কোভিড পরিস্থিতি শুরু হওয়ার সময় সীমান্ত দিয়ে মানুষ পারাপার বন্ধ করা হয়েছিল। শুধুমাত্র পণ্যবাহী লরি পারাপারে ছাড় দিয়েছিল নেপাল সরকার। পরে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেলে ওই বছরের ৮ এপ্রিল ভারত-নেপাল পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত পুরোপুরি সিল করা হয়।

এর পর গত বছরের ৮ মে ফের পণ্যবাহী ট্রাক নেপালে প্রবেশ করা শুরু করে ও সেপ্টেম্বর মাসে আরটিপিসিআর ও ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেখিয়েও সীমান্ত পারাপারের ছাড়পত্র মেলে। এখনও সেই শর্তই লাগু রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সঙ্গে নেপালের সীমান্ত রয়েছে। শিলিগুড়ি হয়ে নেপালে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পানিট্যাঙ্কির ব্যবসা নেপালের উপরেই নির্ভরশীল। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সহ সম্পাদক রোশন গোস্বামী জানান, পানিট্যাঙ্কিতে নথিভুক্ত ১২১০ জন ব্যবসায়ী আছেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সংখ্যা দুশোর বেশি। দুই দেশের মধ্যে প্রতিদিন কয়েকশো পণ্যবোঝাই গাড়ি চলাচল করে। মূলত নেপালের গ্রাহকরা এখান থেকে জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যান। ব্যবসায়ীদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ে নেপালের সঙ্গে দৈনিক প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ব্যবসা হয়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *