খবর লাইভ : এ বলে ও দেখবে আর ও বলে ও দেখবে। এই দুইয়ের টানাটানির মধ্যে চোর চুপি চুপি চুরি করে পগারপার। এ যেন সেই দৃশ্যই মনে করাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই হাওড়ার জগৎবল্লভপুর বিধানসভার বড়গাছিয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য সন্তোষপুরে রমরমিয়ে চলছে জলাজমির ওপর বেআইনি নির্মাণ। সেই নির্মাণ বন্ধ করতে জমির মালিক রবীন নন্দীকে চিঠি লিখে বারণ করেন পঞ্চায়েত প্রধান তনুশ্রী দাস।
তবে তাঁর সেই নির্দেশ অমান্য করেই কাজ করতে থাকেন রবীন ও নাসির নামে এক প্রোমোটার। ফের চিঠি লিখে প্রধান অভিযুক্ত জমির মালিককে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। সেই কপি তিনি বিডিও, ভূমি ও ভূমি-রাজস্ব আধিকারিক এবং জগৎবল্লভপুর থানার ওসিকে দেন। কিন্তু তারপরও রমরমিয়ে চলতে থাকে বেআইনি নির্মাণ।
আরও পড়ুন- হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোক্সীর বিরুদ্ধে নতুন প্রতারণার অভিযোগ আনল সিবিআই
বিষয়টি পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হলে তাঁরা একে অপরের দিকে বল ঠেলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন। এরই মাঝে রমরমিয়ে চলতে থাকে বেআইনি নির্মাণ। জগৎবল্লভপুর থানার ওসি মনোময় চক্রবর্তীকে বেআইনি নির্মাণের বিষয়ে জানানো হলে তিনি বলেন, ‘ভূমি ও ভূমি-রাজস্ব আধিকারিক অভিযোগ করলে তবেই ব্যবস্থা নিতে পারবো।’
অন্যদিকে জগৎবল্লভপুরের ভূমি ও ভূমি-রাজস্ব আধিকারিক শিব্রত দে থানার ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা থানাকে বলুন।’ পুলিশ ও প্রশাসনের একে অপরের দিকে দায়সারা মনোভাব যখন দেখাচ্ছে তখন অবশ্য প্রোমোটার রমরমিয়ে বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আর এর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আশপাশের ৭-৮টি গ্রামের লোকজন।
অভিযুক্ত প্রোমোটার নাসির বলেন, ‘পুলিশ-প্রশাসনকে সেটিং করে ফেলেছি। আপনাদেরও একজনের সঙ্গে সেটিং করেছি, উনি দায়িত্ব নিয়েছেন মিডিয়ায় কোনও খবর হবে না। আপনার কী চাই বলুন।’
এলাকার একাংশ অবশ্য পুলিশ- প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয় থাকার জন্য ‘স্পেশাল রফা’কেই দায়ী করেছেন।




