খবর লাইভ : একজন বলছেন তিনি বেআইনি কাজ বন্ধ করতে পুলিশকে বলেছেন। আবার পুলিশের পক্ষ থেকে থানার ওসি বলছেন না বিডিও এইধরনের কোনও কিছু তাঁকে বলেননি। তবে সত্যিটা হল প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার জন্য হুগলির কৃষ্ণরামপুরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ আর বিপাকে পড়তে হচ্ছে রাজ্যের শাসকদলকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনকে, তবুও তাঁর সেই নির্দেশ অমান্য করেই পুলিশ নিষ্ক্রিয় থেকে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বাড়াতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন- Rampurhat: রামপুরহাট কাণ্ডে মমতাকে কড়া চিঠি রাজ্যপালের
চণ্ডীতলা থানার অন্তর্গত কৃষ্ণরামপুরে চাষীদের ভয় দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ। যা বন্ধ করতে চণ্ডীতলা ১ এর বিডিও নরোত্তম বিশ্বাস নিজে পুলিশকে নির্দেশ দেন। এমনটাই দাবি করেন ওই বিডিও। নরোত্তম বিশ্বাস বলেন, ‘এলাকাবাসীর কথা ভেবে পুলিশকে বিষয়টি বলেছি।’
যদিও চণ্ডীতলা থানার ওসি সুদীপ্ত সাধুখাঁ বলেন, ‘এধরনের কোনও অভিযোগ পাইনি। উনি অভিযোগ করে থাকলে মেমো নম্বর বলতে বলুন।’ কয়লা পাচার, গরু পাচার, বালি বা পাথর পাচারে বারবার পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম জড়িয়েছে। কয়লা কাণ্ডে সিবিআই বাঁকুড়া থানার আইসি-কে গ্রেফতার করেছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে বেআইনি মাটি কাটা বন্ধে পুলিশ কি একেবারেই অক্ষম। শাসক দলের কিছু নেতা অবশ্য বলছেন, রাজ্য সরকারের বদনাম করতেই এই ধরনের বেআইনি কাজ বন্ধ করতে চাইছে না পুলিশ। হুগলি জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের বারবার এই ধরনের বেআইনি কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তবুও কিছু কিছু জায়গায় এই বেআইনি কাজ হচ্ছে। তবে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে দ্রুত।




