Features lifestyle Special News

Holi Festival Pujo: দোলে কোন কোন পুজো করা উচিত, জানেন?

0
(0)

খবর লাইভ:  দোল পূর্ণিমা একটি ভালো দিন উৎসবের দিন। আর এই উৎসবের দিনে পূর্ণিমা তিথিতে নানান পূজোয় মেতে ওঠেন শুধুমাত্র বাঙালিরা নয় আম আদমি। কিন্তু আপনি কী জানেন , কোন কোন দেব দেবীর পুজো এই তিথিতে করলে সংসারে শান্তি আসবে? জানেন কী কোন দেবীর আরাধনা করলে এদিন আপনিও পেতে পারেন সঠিক পথের দিশা ? আসুন জেনে নিই তারই এক ঝলক।

আরও পড়ুন- Basanto Utsab: কেন দোল ও হোলি পালনে একদিনের ব্যবধান , জানেন?

যে পুজো করলে, জীবনে সৌভাগ্য আসবে :-

বিষ্ণু পুজো

হোলিকা ও প্রহ্লাদের সঙ্গে বিষ্ণুর পুজোও করা হয়। বিশেষত হোলিকা দহনের পরের দিনে বিষ্ণু পুজো করা হয়। প্রচলিত আছে যে, ত্রেতাযুগের শুরুতে বিষ্ণু ধুলি বন্দন করেন। এর স্মরণেই ধুলেন্ডি পালিত হয়। ধুলি বন্দন অর্থাৎ সকলে একে অপরকে ধুলো লাগান। এদিন সকালে উঠে, হোলিকাকে ঠান্ডা করা হয়। পুজোর পর জল অর্পণ করা হয়। ধুলি বন্দন অর্থাৎ ধুলোর বন্দনা। ভস্মের রাখকেও ধুলো বলা হয়। হোলিকার আগুনের রাখকে মাথায় লাগানোর পরই হোলি খেলা শুরু হয়। তাই এই উৎসবকে ধুলি বন্দন বলা হয়।

নৃসিংহের পুজো

হোলির দিনে বিষ্ণুর অবতার নৃসিংহের পুজোর প্রথাও প্রচলিত রয়েছে। কারণ হোলিকা দহনের পর নৃসিংহ রূপ ধারণ করে হিরণ্যকশ্যপ বধ করে প্রহ্লাদের জীবন রক্ষা করেন বিষ্ণু। এ দিন নৃসিংহের ছবি বা মূর্তির পুজো করা হয়।

শিব পুজো

শিবের সঙ্গে হোলির উৎসব জড়িত। এদিনই কামদেবকে ভস্ম করেন মহাদেব। তার পর সতিকে বর দেন যে, কৃষ্ণের পুত্র প্রদ্যুম্ন রূপে জন্মগ্রহণ করবেন কাম দেব। এ দিন শিব মন্দিরে ঘি ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করে জলাভিষেক করা হয়।

কাম দেব

দামপ্ত্য জীবনে সুখ, শান্তি, ও ভালোবাসা লাভের জন্য রতির পাশাপাশি কামদেবের পুজো করা উচিত। কামদেব ও রতির ছবি রেখে পুজো করুন।

কৃষ্ণের পুজো

হোলির উৎসব কৃষ্ণের সঙ্গে জড়িত। ব্রজয়ে এটি ফাগ উৎসব হিসেবে পালিত হয়। রঙ পঞ্চমীর দিনে রাধিকাকে রঙ লাগান কৃষ্ণ। এর স্মরণেই রঙ পঞ্চমী পালিত হয়। কৃষ্ণের অষ্টপ্রহর পুজোর পর তাকে ভোগ নিবেদন করা হয়।

রাধা পুজো

ফাল্গুন মাস শুরু হতেই রাধার বরসানায় হোলি শুরু হয়ে যায়। এখানে ৪৫ দিনের হোলি উৎসব আয়োজিত হয়। এই সময় রাধা রানীর শৃঙ্গারের পাশাপাশি তাঁর বিশেষ পুজোও করা হয়। রাধার পুজো করলে জীবনে সুখ, শান্তি, প্রেম ও সম্পর্ক বজায় থাকে।

পৃথু পুজো

হোলির দিনে রাজ্যের সমস্ত বাচ্চাদের রক্ষা করার জন্য রাজা পৃথু কাঠ জ্বালিয়ে তার আগুনে রাক্ষসী ঢুন্ঢীর বধ করেন। রাজা পৃথুকে বিষ্ণুর অংশাবতার মনে করা হয়। এ কারণে তাঁর পুজো করা হয়।

বজরংবলীর পুজো

এ সময় বজরংবলীর পুজো করলে সমস্ত সঙ্কট দূর হয়। এদিন বজরংবলীকে বস্ত্র অর্পণ করা উচিত।
লক্ষ্মী পুজো

হোলির দিনে বিষ্ণুর সঙ্গে লক্ষ্মীর পুজোও করা হয়। এর ফলে পরিবারে ধন-সম্পত্তি বজায় থাকে। মহালক্ষ্মী মন্দিরে গিয়ে ফুল এবং পায়েস অর্পণ করা উচিত।

আগুন ও সম্পদা দেবীর পুজো

হোলিকাই প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনের কোলে বসেন।ছ কিন্তু সেখান থেকে শুধু প্রহ্লাদ জীবিত ফিরে আসেন এবং হোলিকা ভস্ম হয়ে যান। এ কারণে হোলিকা রূপে অগ্নি দেবের পুজো করা হয়। এর দ্বিতীয় দিনে সম্পদা দেবীর পুজোর প্রথা প্রচলিত আছে। এদিন মহিলারা সম্পদা দেবীকে ধাগা বেধে উপবাস রাখেন ও ব্রতকথা শোনেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *