পুরুলিয়ার ঝালদায় নবনির্বাচিত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর হত্যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার সেই হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়।
নিশ্চয়ই ভাবছেন কী এমন ঘটল? আসলে ঝালদার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগানের কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ দায়ের করলেন নিহত তপনের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। পাশাপাশি তপনের দাদা নরেন কান্দু এবং ভাইপো দীপক কান্দু-সহ কয়েক জন তৃণমূল নেতার কথাও পুলিশ সুপারকে লেখা ওই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। আর এখানেই সিঁদুর মেঘ দেখছে শাসক শিবির!
আরও পড়ুন- Karnataka High Court: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করাতে সায় কর্ণাটক হাইকোর্টের
পূর্ণিমা চিঠিতে কী লিখেছেন? তিনি অভিযোগ করেছেন, পুরনির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর স্বামীকে এবং তাঁকে চাপ দিচ্ছিলেন ঝালদা থানার আইসি। সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাঁদের ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। ওই অভিযোগপত্রে আইসি-র পাশাপাশি তপনের দাদা নরেন এবং ভাইপো দীপক-সহ কয়েক জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগের আঙুল তুলেছেন পূর্ণিমা। ওই অভিযোগপত্রটি যাতে এফআইআর হিসাবে দেখা হয় সেই আবেদনও করেছেন পূর্ণিমা। যদিও আদৌ সেটি এফআইআর এর অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা তা সময়ই বলবে।
উল্লেখ্য, রবিবার রাতে গুলি করে খুন করা হয় ঝালদা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপনকে। তার পর থেকে ওই খুনে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হননি। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ তপনের পরিবার।
সোমবার ঝালদা যান বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। ঝালদা থানার আইসি-র বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন তিনি। এর পরেই পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন পূর্ণিমা।
তপন খুনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার পুরুলিয়া জেলা জুড়ে বন্ধের ডাক দেয় কংগ্রেস। তার ভালই প্রভাব পড়েছে। পুরুলিয়া জেলার প্রায় সর্বত্রই বন্ধ বেসরকারি বাস চলাচল। তবে সরকারি বাস চলাচল করেছে। দোকানপাট জেলার অন্যত্র সে ভাবে বন্ধ না থাকলেও ঝালদায় বনধের প্রভাব ছিল সর্বাত্মক।




