খবর লাইভ: রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোট গ্রহণ পর্ব চলছে। তবে অনেকেরই চোখ কাঁথির পুরসভার দিকে। একসময় এই পুরসভায় দাপট ছিল অধিকারী পরিবারের। কিন্তু এবারের চিত্রটা আলাদা। অধিকারী পরিবারের কেউই এবার পৌরসভা ভোটে প্রার্থী হননি। আর তাই কাঁথি পৌরসভার দখল হারানো নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
এতদিন এই পুরসভা ছিল তৃণমূলের দখলে। নেপথ্যে অধিকারী পরিবার। কিন্তু, এবার অধিকারী পরিবারের কেউ বিজেপিতে আবার কেউ তৃণমূলে থেকেও নিষ্ক্রিয় থাকায় সব মিলিয়ে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রশ্ন উঠেছে, এবারও কি তৃণমূলের জয়ধ্বজা উড়বে কাঁথিতে।
রবিবার সকাল থেকে কাঁথিতে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। তবে সেভাবে অশান্তির ঘটনা এখনও ঘটেনি। এই পুরসভায় কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া পুরসভার ভোট গ্রহণ মোটামুটি শান্তিতে চলছে। ২ নম্বর ওয়ার্ডের রহমানিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বহিরাগতদের আনাগোনা খবর মিলেছে। সেখানে সামান্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি কাঁথির ১৩, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বুথের সামনে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলে। পাল্টা বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপিও। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী।
সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিভিন্ন বুথে ঘুরে ঘুরে তিনি ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। তৃণমূলের এই অভিযোগ পাওয়া পরই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। মন্ত্রী অখিল গিরির সঙ্গে পুলিশের বাগবিতণ্ডা বেঁধে যায়। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন সৌমেন্দু।




