খবর লাইভ : দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যে ইতি। বিয়ে ভাঙলেন আমির খান ও তাঁর স্ত্রী কিরণ রাও। শনিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে একথা জানিয়ে দিলেন আমির ও কিরণ দুজনেই। তবে দাম্পত্যে ইতি টানলেও একে অপরের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ছেলের দেখভালের দায়িত্ব থাকবে দুজনের কাঁধেই। যৌথ বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন আমির খান ও কিরণ রাও।
তাঁরা লিখেছেন, ‘এই ১৫ বছরের সুন্দর সফরে আমরা প্রচুর আনন্দ, উচ্ছ্বাস, অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি। ভরসা, ভালবাসা এবং শ্রদ্ধার মধ্যে দিয়ে আমাদের সম্পর্ক কেটেছে। এবার আমরা জীবনের নতুন একটা অধ্যায় শুরু করতে চলেছি। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নয়, আমাদের সন্তানের মা-বাবা এবং একই পরিবারের সদস্য হিসেবে।’
তবে তাঁদের বিচ্ছেদ যে আচমকা নয় সেই বিষয়েও জানিয়েছেন তাঁরা। বেশ কিছু দিন যাবৎ পরিকল্পনা করে তবেই এই দাম্পত্য জীবন থেকে বেরিয়ে আসার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে সেলেব এই সদ্য প্রাক্তন কাপল তাঁরা আলাদা থাকলেও তাঁদের ছেলে আজাদের প্রতি তাঁদের দায়িত্ব, কর্তব্য নিজেরা পালন করবেন। তাঁদের কথায়, ‘আমরা একসঙ্গে ছবি করব। আমাদের পানি ফাউন্ডেশনের কাজ এবং আরও অন্যান্য যে কাজগুলো আমরা করতে ভালবাসি, সেই সব কিছুই একসঙ্গে করব।’
উল্লেখ্য, ‘দঙ্গল’-এর সময় থেকে নাকি ফাতিমা সানা শেখের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আমির খান। বলিউডের ওই নব্য অভিনেত্রীর জন্য নাকি কিরণ রাও-এর সঙ্গেও অশান্তি শুরু হয় আমিরের। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি আমির, কিরণ বা ফাতিমা কেউই।
২০০২ সালে আমির তাঁর প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। তারপর ২০০৫ সালে পরিচালক কিরণ রাওকে বিয়েও করেন আমির। আমিরের ‘লগান’ ছবিতে সহকারী পরিচালক ছিলেন কিরণ। ২০১১ সালে সারোগেসির সাহায্যে ছেলে আজাদ রাও খানকে জন্ম দেন তাঁরা। একসঙ্গে অনেক কাজই করেছেন তাঁরা, কিন্তু তাঁদের এই আচমকা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি আমির বা কিরণ কেউই। তবে তাঁদের এই সিদ্ধান্তে পাশে থাকার জন্য আমির এবং কিরণ ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে।



