Special News State

অধিবেশনে রাজ্যপালের উদ্বোধনী ভাষণ বাদ কেন? স্পিকারকে চিঠি ক্ষুব্ধ ধনকরের

0
(0)

খবর লাইভ : রাজভবনের সঙ্গে সংঘাত রাজ্যের। যার আঁচ পৌঁছল বিধানসভায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর বিধানসভার কাজে হস্তক্ষেপ করছেন। এই অভিযোগ জানিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সরাসরি বিমানকে চিঠি দিলেন ধনকর। চিঠিতে লিখলেন, ‘স্পিকার নিজেই রাজ্যপাল পদের অবমাননা করেছেন। বিধানসভায় আমার ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। এটা জরুরি অবস্থার সামিল।’
২ জুলাই থেকে শুরু বিধানসভা অধিবেশন। করোনা বিধি মেনেই এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। প্রথা অনুযায়ী, সেদিন রাজ্যপালের ভাষণ দেওয়ার কথা। তবে করোনা পরিস্থিতির জেরে বাজেট অধিবেশনের আগে রাজ্যপালের ভাষণ রাখা হচ্ছে না। তা রাজভবনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধানসভার সচিবালয় থেকে। আর এতেই ক্ষিপ্ত হলেন রাজ্যপাল।বিধানসভার স্পিকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বিমানকে চিঠি দিলেন ধনকর।
কিছুদিন আগেই অল ইন্ডিয়া স্পিকার সম্মেলনে, ধনকরের বিরুদ্ধে বিমান অভিযোগ করেন, বিধানসভার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন রাজ্যপাল। যা তাঁর এক্তিয়ারভুক্ত নয়। বুধবার পাল্টা দিলেন ধনকর। এদিন স্পিকারকে দেওয়া চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, লোকসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া আপনার চিঠি আমাকে ব্যথিত করেছে। এর থেকে দুঃখজনক কিছু হতে পারে না। আপনার এই অভিযোগ সংবিধানের পরিপন্থী। বরং বার বার আপনার কাজে রাজ্যপাল পদটির অবমাননা করা হয়েছে। আমি বিধানসভায় যাওয়ার পরেও গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকী আপনি নিজেও উপস্থিত থাকেননি। আমাকে অপমান করা হয়েছে। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে রাজ্যপালের ভাষণ দেখানো হবে না বলে জানানো হয়েছে। এটা জরুরি অবস্থার সামিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
ঘটনা হল, চলতি বছর অধিবেশনের আগে বিধানসভার সচিবালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল রাজভবনের তরফে। বক্তব্য ছিল, এবার রাজ্যপালের উদ্বোধনী ভাষণ সম্প্রচার করা হোক। কিন্তু বিধানসভার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই তা লাইভ সম্প্রচার করা যাবে না। সূত্রের খবর, আসন্ন বাজেট অধিবেশনে বিধানসভায় প্রবেশের ক্ষেত্রেও একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। তবে এসবের মধ্যে কেন রাজ্যপালের ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ থাকবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন ধনকর।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের কাছে বিধানসভার স্পিকার অভিযোগ করেছিলেন, রাজভবনে পাঠানো একাধিক বিল স্বাক্ষর করে পাঠাননি রাজ্যপাল। সেই অভিযোগও পত্রপাট খারিজ করে দিয়েছেন ধনকর। রাজভবনে কোনও বিল পড়ে নেই বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, ‘স্পিকারের এই অভিযোগও খুব দুঃখজনক। কারণ রাজ্যপাল কোনও কাজ ফেলে রাখেননি। শুধুমাত্র দুটি বিলে ত্রুটি থাকায় পড়ে রয়েছে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *