খবর লাইভ : দুর্গাপুরে জলসঙ্কট চলছেই। এর মধ্যে মঙ্গলবার সকালে আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল শিল্পনগরী। ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে ডিপিএলের এক শ্রমিকের দেহ। দুটি পা উড়ে গিয়েছে আরেক শ্রমিকের। আচমকা এই বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কীভাবে, কোথা থেকে এমন বিস্ফোরণ হল, খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কারখানার রাসায়নিক সামগ্রী থেকেই বিস্ফোরণ ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেটের কাছে আচমকা প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণ শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সেই সময় গেটের অদূরে বাগান পরিচর্যা করছিলেন ঠিকাকর্মী ওম প্রকাশ চৌহান। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তাঁর দেহ। তাঁর পাশেই ছিলেন আরেক ঠিকাকর্মী রাম রুইদাস। তাঁর দুটি পা উড়ে যায়। এরপর কোকওভেন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ঠিকাকর্মীকে স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের কমিশনার সুকেশ জৈন, স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বনাথ পারিয়ালও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান।
কী থেকে এই বিস্ফোরণ তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিদ্যুতের কেবল ফেটে এই বিস্ফোরণ ঘটেনি বলে ডিপিএলের দাবি। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের কমিশনার সুকেশ জৈন জানান, ডিপিএলের রাসায়নিক থেকেই এই বিস্ফোরণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। কারখানার ভিতরেই ছিল এই রাসায়নিক বাইরে থেকে আনা হয়নি বলেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক।
অন্যদিকে, দুর্গাপুর ব্যারাজের ভেঙে যাওয়া ৩১ নং লকগেট মেরামতির কাজ এখনও শুরু হয়নি। বাঁধ দেওয়া যায়নি জলের তোড়েও। ফলে শিল্পনগরীতে জলসঙ্কট আজও অব্যাহত।



