খবর লাইভ: আমেরিকার হামলার ভয়ে চূড়ান্ত সতর্ক ইরান। বৃহস্পতিবার কোনও নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়েই হঠাৎ করে ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ জারি করেছে। দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভ, বিক্ষোভকারীদের উপর দমন-পীড়ন এবং তার জেরে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, এই নির্দেশের ফলে ইরানের আকাশসীমা দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস একটি সতর্কতামূলক নোটিশ জারি করেছে। দূতাবাস জানিয়েছে, তাদের কর্মীদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়াতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কাতারে থাকা মার্কিন নাগরিকদেরও একই পরামর্শ জারি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, উত্তেজনার আবহে আলোচনার বার্তা দিয়েছে তেহরান। এক সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাঁর দেশ আলোচনার জন্য প্রস্তুত এবং গত ২০ বছর ধরেই কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছে। তিনি আমেরিকাকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুদ্ধের তুলনায় কূটনীতি অনেক ভালো পথ।
আরাঘচি আরও দাবি করেন, চলমান হিংসার জন্য সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলিই দায়ী। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকাকে সংঘাতে টেনে আনার জন্য ইজরায়েলের পক্ষ থেকেই এই পরিস্থিতি উসকে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ইরানে চলমান হিংসা আবহে সামনে এল বড় খবর। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর মন্তব্যের মধ্যেই এই সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে।




