খবর লাইভ : কর্ণাটকে শোভিত উদুপির শ্রীকৃষ্ণ মঠ। শুক্রবার এখানে ‘লক্ষ-কণ্ঠে ভাগবত গীতা’ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। যাতে সন্ন্যাসী, পণ্ডিত, ছাত্রছাত্রীসহ এক লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
পবিত্র গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে মোদি দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন, গীতা শুধু ধর্মগ্রন্থ নয়, রাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার পথপ্রদর্শকও। তিনি ঘোষণা করেন, নতুন ভারত আর কারোর সামনে মাথা নত করবে না। তাঁর ভাষায়, আমাদের সুদর্শন চক্র শত্রুদের ছিন্নভিন্ন করে দেবে।”
এর সঙ্গে মোদি আরও বলেন, পুরনো সময়ের মতো আর “নিরুত্তর” থাকবে না। অতীতে যখন সন্ত্রাস-হামলার পর প্রতিক্রিয়া ছিল সীমিত, এখন নতুন ভারত দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্টে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি ঘোষণা করেছিলেন মিশন সুদর্শন চক্র। যা একটি আধুনিক, বহু-স্তরের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো হিসেবে বিকাশ করা হবে। এর উদ্দেশ্য দেশের সামরিক, বেসামরিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের জীবন-ব্যবস্থা রক্ষায় রক্ষা-কবচ গঠন করা।
গীতাপাঠ ও রাজনীতি, ধর্ম ও নিরাপত্তা সবকিছু একসাথে মেশানোর এই বার্তা দিয়ে মোদি বললেন, নতুন ভারত কখনো মাথা নত করবে না।”
এ দিন নিজের আধ্যাত্মিক জীবনের কথাও তোলেন মোদি। গীতা কী ভাবে তাঁর জীবনে প্রভাব ফেলেছে সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, প্রতি মুহূর্তে আমি গীতার পবিত্র শ্লোকের আধ্যাত্মিক শক্তি অনুভব করি। এই মুহূর্ত শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভের মতো।


