International National Special News Sports

হাসিনা-আসাদুজ্জামানকে ভারতের কাছে ফেরত চাইল বাংলাদেশ

0
(0)

খবর লাইভ : মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সোমবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবিউনাল। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সে দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও। রায় ঘোষণা হতেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, শীঘ্রই হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে চিঠি দেওয়া হবে। এবার শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের হস্তান্তরের জন্য ভারতকে আহ্বান জানাল সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার।

এদিন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এনিয়ে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনও দেশ আশ্রয় দিলে, তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।’ দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এই দু’জনকে হস্তান্তর করা ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

মূলত ভারত এবং বাংলাদেশের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে, আদালতের রায়ে প্রত্যর্পণ করানোর মতো অপরাধ করে থাকলে এক দেশকে ওই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপর দেশের হাতে তুলে দিতে হবে। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে এর আগেও নয়াদিল্লিকে চিঠি পাঠিয়েছিল ঢাকা। যা নিয়ে ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি জানিয়ে দেন, এর সঙ্গে আইনি বিষয় জড়িয়ে আছে। তাই উভয় দেশের মধ্যে এনিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে আইনজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেহেতু বাংলাদেশে হাসিনার প্রাণ সংশয় রয়েছে, তাই প্রত্যর্পণ চুক্তির কিছু ধারার কারণে ভারত হাসিনাকে ফেরাতে বাধ্য নয়।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ে গত বছর আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতেই রয়েছেন তিনি। এমনকি হাসিনার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। পরে তাঁকেও ভারতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়। তাই এবার এই দু’জনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পরই বাংলাদেশের ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করল ইউনূসের প্রশাসন। যদিও এখনও পর্যন্ত এনিয়ে ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *