Special News Special Reports State

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়েরের অনুমতি দিল লোকপাল

0
(0)

খবর লাইভ : : ‘ক্যাশ-ফর-কোয়েরি’ মামলায় বিরাট বিপাকে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সিবিআইকে চার্জশিট দেওয়ার অনুমতি দিল লোকপাল। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। পাশাপাশি সেই চার্জশিটের একটি প্রতিলিপি জমা দিতে হবে লোকপালের কাছে। উল্লেখ্য,এই মামলার জেরে মহুয়া মৈত্রের লোকসভার সদস্যপদ  বাতিল করা হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত হন।

লোকপাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর সিবিআইকে সবুজ সংকেত দেওয়ার পাশাপাশি চার্জশিটের একটি কপি লোকপালকে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মহুয়া মৈত্রর নাম প্রথম উঠে আসে ২০২৩ সালে ‘ক্যাশ-ফর-কোয়েরি’ মামলায়। সেই বছরই লোকপালের নির্দেশে সিবিআই প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে এবং তদন্তের বিশদ বিবরণ জমা দেয়। লোকপাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, লোকপাল আইন, ২০১৩-র ধারা ২০(৭) এবং ধারা ২৩(১) অনুসারে সিবিআইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করতে হবে। তবে চার্জশিট আদালতে জমা দিলেই আইনি প্রক্রিয়া সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চার্জশিট দাখিলের পরেই সিবিআইয়ের পরবর্তী আবেদন বিবেচনা করা হবে।

গত বছর লোকপালের নির্দেশে সিবিআই মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এবং ছয় মাসের মধ্যে একটি বিশদ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছিল। সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর, তদন্তকারীরা চার্জশিট দাখিল ও আইনি প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি চান। অবশেষে লোকপালের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সেই অনুমতি দিল।

এদিকে, সম্প্রতি মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেছেন যে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এই মামলার সংবেদনশীল নথি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি লোকপালের শুনানি স্থগিতের আবেদন নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল সাংসদের আবেদন খারিজ করা হয়।

 

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *