খবর লাইভ : অরুণাচল প্রদেশ থেকে বিস্তৃত ভারত-চিন সীমান্ত থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে লুনঝে বিমানঘাঁটিতে ম্যাকমোহন লাইন এলাকায় চিন নির্মাণ করেছে ৩৬টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন স্থাপনের জন্য নতুন শেল্টার ও প্রশাসনিক ব্লক। এই ঘাঁটি রাজধানী তাওয়াং থেকে প্রায় ১০৭ কিমি দূরত্বে অবস্থিত।
<ষশেল্টার নির্মাণের ফলে চিনের নয়নহাঁটি বিমান বাহিনী দ্রুত স্থানান্তর এবং আক্রমণের মহড়া নিতে সক্ষম হবে, এমনই ব্যাক্তিগত বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দাবি।
উদাহরণস্বরূপ, বিএস ধানোয়ার মতে, এই নির্মাণ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শত্রু বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো ইতিমধ্যেই স্থায়ীভাবে এখানে রাখা হচ্ছে। তাছাড়া, অনিল খোসলা এই পরিস্থিতিকে ভারতের প্রতি “গুরুতর কৌশলগত হুমকি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে লুনঝে অঞ্চলে সিএইচ-৪ ধরনের ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে, যা ১৬,০০০ ফুটের ওপর উচ্চতা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতা রাখে।
এর পাল্টা হিসেবে, ভারত ২০২৯ সাল থেকে মার্কিন নির্মিত স্কাই গার্ডিয়ান নামে ড্রোন চালু করার পরিকল্পনায় রয়েছে যাতে হিমালয়ের উচ্চতা এলাকাতে নজরদারি ও প্রতিক্রিয়াগত প্রস্তুতি বাড়বে।
কেন এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?
• সীমান্তের এত কাছেই যুদ্ধবিমান ও ড্রোন স্থাপনের ফলে প্রথম আঘাত দেওয়া ও প্রতিরক্ষা নেওয়ার সময়জট অনেক কমে যাবে।
• শেল্টারগুলো আক্রমণ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকেও বিমানের নিরাপত্তা বাড়াবে।
• এতে ভারত-চিন সংঘর্ষে চিনকে কৌশলগত সুবিধা মিলতে পারে।
• উচ্চভূমিতে রঙিন ভূ–রূপের মধ্যেও এমন ঘাঁটি স্থাপন চিনের দিক থেকে একটি অভূতপূর্ব পরিকল্পনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই বিমানঘাঁটি চিনকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফাইটার বিমান এবং তাদের হাতে থাকা নানা ধরণের ড্রোন সিস্টেম মোতায়েন করার সুযোগ করে দেবে। এর ফলে, যদি কখনও দুদেশের মধ্যে সংঘাত হয়, সেই সময় চিনা বিমান বাহিনীর প্রতিক্রিয়া জানাতে যে সময় লাগবে, তা ভারতীয় বিমান বাহিনীর তুলনায় অনেক কম হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।




