খবর লাইভ : লাদাখে বুধবার চলতে থাকা বিক্ষোভ ও সহিংসতায় কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৮০ জন, তাদের মধ্যে পুলিশের সদস্যরাও রয়েছেন। চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবৃতি বলছে, “দিনভর যে অশান্তি হয়েছিল, সেটি বাদ দিলে সন্ধ্যার পর থেকে নতুন কোনো হিংসার ঘটনা ঘটেনি।”
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, বিকেল ৪টার পর থেকে লেহ শহরে নতুন ধরনের সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। শান্তি স্বরূপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরনো বা উস্কানিমূলক ভিডিও প্রদর্শন ও ছড়ানোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রদানের দাবি চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে লেহে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে পার্টি অফিস ও সরকারি দফতরে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে, কিছু বাস ও যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী বিক্ষোভ দমনে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং অন্যান্য কার্যক্রম প্রয়োগ করেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দাবি করেছে, লাদাখে অশান্তির জন্য দায়ী ব্যক্তি হলো সোনম ওয়াংচুক, যিনি “উস্কানিমূলক মন্তব্য” করেছিলেন। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “বক্তব্যে উত্তেজনা সৃষ্টির কারণ রয়েছে” এবং “জনতা পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনায় শুধু বাধাহীনভাবে আন্দোলনকে সংঘবদ্ধ করেছে”।
বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে সোনম ওয়াংচুক নিজের বক্তব্যে জানিয়েছেন, তিনি সহিংস আন্দোলনকে সমর্থন করেন না। তিনি বলেন, “গত পাঁচ বছর ধরে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছিলাম, কিন্তু আজকের ঘটনায় শান্তির বার্তা ব্যর্থ হলো।” তারপরে তিনি অনশন শেষ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।




