খবর লাইভ : নেপালে দুই দিনের বিশৃঙ্খলার পর, সেনাবাহিনী দেশটির শাসনভার গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলির পদত্যাগের পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি এবং প্রধান দমন ঘোষণা এসেছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে—”নবীন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত পুরো প্রশাসনিক দায়িত্ব বহন করবে সেনা” ।
রাজপথে সেনাদের টহল শুরু হয়েছে। বিপর্যয়ময় পর্যায়ে রাজধানী কाठमাণ্ডুর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভ্বন সহ সুপ্রিম কোর্ট, পার্লামেন্ট, রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, এবং ইউএমএল পার্টির সদর দপ্তর আগুনে পুড়েছে । এর পাশাপাশি, দেশজুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে; বন্দিদের পালানোর চেষ্টা ভেঙে দেওয়া হয়েছে; এবং বিশেষভাবে বাঁকের সংশোধনাগারে গৃহীত বন্দিদের পালানোর প্রচেষ্টা রুখতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি চালানো হয়েছে, যার ফলে পাঁচজন নিহত হয়েছেন ।
সেনাপ্রধানের সাথে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পরিস্থিতির সামাল দিতে আলোচনার পথ খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের সাথে তাদের আলোচনাও নির্ধারিত রয়েছে, যেখানে সম্ভাব্য সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলবে ।
প্রধানমন্ত্রী ওলির পদত্যাগের পরেও অবস্থা স্থিতিশীল হয়নি, বরং পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়।
সেনাবাহিনী পুরো প্রশাসনিক কাজের ভার গ্রহণ করেছে।
দেশজুড়ে কার্ফু, সরকারি সত্তায় আগুন, কারাগার গোলযোগ এবং বন্দিদের পালানোর প্রচেষ্টা ধরা পড়েছে।
সেনা–বিপ্লবীদের মধ্যে প্রথম বৈঠক ইতিমধ্যেই হয়েছে; বড় বৈঠক অপেক্ষা করছে শুনানির জন্য।





https://shorturl.fm/SEEYN