নিউজ আপডেট : বালি পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলায় একযোগে অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রথমবার, বালি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে সরাসরি তল্লাশি অভিযান চালালো ইডি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা মিলিয়ে মোট ২২টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। অভিযানে সহযোগিতা করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
বিশেষ করে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকে একাধিক বালি ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় ইডির টিম। তাদের মধ্যে অন্যতম শেখ জহিরুল আলি, যিনি আগে ভিলেজ পুলিশে কর্মরত ছিলেন। পরে সেই চাকরি ছেড়ে বালি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সুবর্ণরেখা নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি উত্তোলন ও পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই একাধিক নথি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
একইসঙ্গে, কলকাতার রিজেন্ট পার্ক এলাকাতেও অভিযান চালিয়েছে ইডি। সেখানে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার কর্মীর বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বালি পাচার চক্রের আর্থিক লেনদেনে তিনি কোনওভাবে যুক্ত থাকতে পারেন।
উত্তর ২৪ পরগনা ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও অভিযান জারি রয়েছে। ইডির একাধিক টিম গোটা রাজ্যে তল্লাশি চালাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রতিটি এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে অভিযান চালাচ্ছে, যাতে কোনওরকম বাধা সৃষ্টি না হয়।
ইডি সূত্রে ইঙ্গিত, বালি পাচার চক্রের সঙ্গে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সরকারি কর্মচারীর যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্ত আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা।




