Special News Special Reports State

পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের সাংবাদিক বৈঠকের আগে ট্রেনিং, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

0
(0)

খবর লাইভ : পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের সাংবাদিক বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দিন কয়েক আগে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সেই সাংবাদিক বৈঠকের আগে পুলিশ কর্মীদের স্ত্রীদের রীতিমতো ‘প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের। এই ইস্যুতে ফের একবার রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধোনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আইন অনুযায়ী পুলিকর্মীদের স্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করতে পারে না। আমরা মামলা করব। আমরা রাজ্যপালকে এটা জানিয়েছি। ওনাকে তদন্ত করতে বলেছি। এটা সার্ভিস রুলের অবমামনা। অফিসারদের স্ত্রীদের দিয়ে অভিযোগা কারনো হয়। মূলত আমাকেই টার্গেট করা হয়। বিরোাধী দলনেতা নিজে পুলিশকে অশালীন কথা বলছেন, এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “কলকাতার সিপি একজন কুখ্যাত আইপিএস। গোটা জঙ্গলমহলে অত্যাচার করেছেন এই মনোজ ভার্মা…২০০৯, ‘১০,’১১-এর আগে পর্যন্ত। আদিবাসী ছেলেগুলিকে তাদের সকলকেই মাওবাদী তকমা দিয়ে তুলে এনে মারতেন। এই কুখ্যাত লোকটি সেদিন অভয়ার মায়ের উপর অত্যাচার করিয়েছেন। পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে জড়ো করা হয়েছিল ওদের (পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের)। প্রেস মিট করার আগে এদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল। একজন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও আরও একজন দিজিতেশ্বর রাউত সেই ট্রেনিং দিয়েছিলেন। দু’জনইকেই অবৈধভাব প্রমোশন দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই কলকাতা প্রেস ক্লাবে পুলিশ কর্মীদের স্ত্রীরা একটি সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠক থেকে রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপিকে নিশানা করতে দেখা গিয়েছিল তাদের। পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের অভিযোগ ছিল, তাঁদের স্বামীদের প্রায়শই অশালীন ভাষায় কথা বলা থেকে শুরু করে হেনস্থা এমনকী জুতো দেখানোর মতো ঘটনা ঘটছে। এক্ষেত্রে পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের নিশানায় ছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি।

সেই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেই তাদের মূল অভিযোগ ছিল। তবে সেদিনের সাংবাদিক বৈঠকের তাল কাটে অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ উঠতেই। কিছুদিন আগেই অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি-কে ফোন করে রীতিমতো গালিগালাজ করেছিলেন। শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল ইস্যুতে পুলিশকর্মীদের স্ত্রীদের কী মনোভাব? সেদিন সেই প্রশ্ন উঠতেই রীতিমতো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল প্রেস ক্লাবে। শেষমেষ সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে উঠে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীদের স্ত্রীরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *