খবর লাইভ : এয়ার ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ফের উঠল প্রশ্ন। রবিবার রাতে তিরুবন্তপুরম থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মুখে পড়েন যাত্রীরা। উড়ানে ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপাল সহ আরও একাধিক সংসদ সদস্য। অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও, গোটা ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্রের খবর, এই বিমানটি রাত আটটার কিছু পর তিরুবন্তপুরম বিমানবন্দর থেকে উড়ানের জন্য তৈরি ছিল। কিন্তু ওড়ার কিছু সময়ের মধ্যেই বিমানে সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে চক্কর কাটার পর পাইলট সিদ্ধান্ত নেন, বিমানটিকে চেন্নাই বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হবে।
কিন্তু চেন্নাই বিমানবন্দরে যখন ল্যান্ডিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিমানটি, তখন আরও বড় বিপত্তি ঘটে। রানওয়েতে সেই সময় একটি অন্য বিমান দাঁড়িয়ে ছিল। শেষ মুহূর্তে বিপদ বুঝে পাইলট দ্রুত ল্যান্ডিং বাতিল করে বিমানটিকে পুনরায় আকাশে তুলে নেন। ওই অবস্থাতেই বিমানে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে আরও প্রায় দুই ঘণ্টা আকাশে চক্কর কাটাতে হয়।
অবশেষে রাত সাড়ে দশটার পর রানওয়ে খালি হলে বিমানটি নিরাপদে চেন্নাইয়ে অবতরণ করে। কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপাল ঘটনার বিস্তারিত সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে জানান, আজ আমরা শুধুমাত্র ভাগ্য এবং দক্ষ পাইলটদের জন্যই বেঁচে গেছি। কিন্তু দেশের উড়ান নিরাপত্তা কি কেবল ভাগ্যের উপর নির্ভর করবে?
তিনি অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক এবং ডিজিসিএর কাছে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো যায়।
এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জবাবে জানানো হয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছিল এবং তাঁদের পাইলটরা এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিজ্ঞ। তবে প্রশ্ন উঠছে, রানওয়েতে অন্য বিমান উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেন সেখানে ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল?
এই ঘটনার পরেও এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক বা ডিজিসিএর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।




