Special News Special Reports State

কাজে যোগ দিলেও আইনি লড়াইয়ে থাকবেন দেবাশিস,আসফাকুল্লা

0
(0)

খবর লাইভ : গত বছর আরজি করের খুন ও ধর্ষণের ঘটনার পর শহর তথা রাজ্য জুড়ে যে বৃহত্তর আন্দোলন হয়, তার অগ্রভাগে ছিলেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। তিলোত্তমার সেই সহকর্মীদের মধ্যে অন্যতম চিকিৎসক দেবাশিস হালদার, অনিকেত মাহাতো ও আশফাকুল্লাহ নাইয়া। আর এই তিনজনের বদলি নিয়েই উঠেছে বড় অভিযোগ। প্রতিবাদের শাস্তিস্বরূপ তাঁদের জন্য এমন সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন উঠেছে। এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এই চিকিৎসকেরা।

সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসাবে তাদের জেলা হাসপাতালে পোস্টিংয়ের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আসফাকুল্লা, দেবাশিস। শুক্রবার তাঁদের তরফে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। আগামী ৫ জুন হাই কোর্টে নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তরের নয়া নোটিসে সিনিয়র রেসিডেন্টদের ‘নিয়মমাফিক’ বন্ড পোস্টিংয়ের ঘোষণা হয়। সেই ‘পোস্টিং’ আর সকলে কাজে যোগ দিলেও ক্ষুব্ধ তিন ডাক্তার, দেবাশিস হালদার, আসফাকুল্লা নাইয়া, অনিকেত মাহাতো। পোস্টিং অনুযায়ী, ডা. অনিকেত মাহাতোকে যোগ দিতে হবে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে, ডা. আসফাকুল্লা নাইয়া পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ এবং ডা. দেবাশিস হালদার মালদহের গাজোল মেডিক্যাল কলেজে যোগ দেবেন সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসাবে।

ঘোষণার পর থেকেই বেঁকে বসেছিলেন তিনজন। শেষমেশ শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দেবাশিস হালদার বলেন, “আসফাকুল্লা আর আমি কাজে যোগ দেব। সেখানকার মানুষদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্যই আমরা কাজে যোগ দেব।” দেবাশিস হালদার জানিয়েছেন, “এটা বোঝানোর জন্যই আমরা কাজে যোগ দেব যে আমাদের আন্দোলন শুধু আমাদের নয়। এটা সাধারণ মানুষের আন্দোলন।” ডা. দেবাশিস হালদার, ডা. আসফাকুল্লা নাইয়া কাজে যোগ দিলেও এখনই রায়গঞ্জে যাচ্ছেন না ডা. অনিকেত মাহাতো। দেবাশিসের বক্তব্য, “কাজে যোগ না দিয়ে আইনগতভাবে লড়াই চালাবেন অনিকেত।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *