খবর লাইভ : ইরানকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে সম্প্রতি এক উত্তপ্ত ফোনালাপ হয়েছে। এই আলাপচারিতায় নেতানিয়াহু ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও, ট্রাম্প তাঁকে হুমকি দেন। ফলে, দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২২ মে, ২০২৫-এ ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নেতানিয়াহু। ইহুদি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল-১২’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সময় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। নেতানিয়াহু ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও, ট্রাম্প তাঁকে হুমকি দেন।
নেতানিয়াহুর দফতর এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানিয়েছে, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বর্জন করে, তা নিয়ে দু’তরফে আলোচনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলিতে একমত হয়েছেন তাঁরা।
গত ২৫ মে, ২০২৫-এ ট্রাম্প ইরানের ব্যাপারে খুব দ্রুত ‘সুসংবাদ’ আসবে বলে ইঙ্গিত দেন। এর ফলে, ইজরায়েলের রক্তচাপ যে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই উত্তপ্ত ফোনালাপের পর, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই সম্পর্কের অবনতি ঘটে, তাহলে পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার সংজ্ঞা পুরোপুরি পাল্টে যেতে পারে। এছাড়া, সেখানে যুদ্ধের গতি তীব্র হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক মহলে ইরান ইস্যুতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হতে পারে। বিশ্ব নেতারা এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করতে উদ্যোগী হতে পারেন।




