খবর লাইভ : বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস আগামী জুন ২০২৬ সালের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনী সংস্কারের কাজ ধীরগতিতে চললে সময়সীমা বাড়তে পারে, তবে তা ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে শেষ করতে হবে। ইউনূসের মতে, রাজনীতিকেরা ক্ষমতার জন্য অধৈর্য হয়ে উঠেছেন, যা নির্বাচনের সময় নির্ধারণে চাপ সৃষ্টি করছে।
বিএনপি এবং সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে। এদিকে, খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ভার্চুয়াল মাধ্যমে সমাবেশে অংশ নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ইউনূসের প্রশাসন সংস্কারের কাজ সম্পন্ন না হলে নির্বাচনের সময়সীমা বাড়ানোর কথা বলেছে।
এছাড়া, সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন, এবং সরকারি কর্মচারীদের চাকরি থেকে বরখাস্তের ক্ষমতা নিয়ে নতুন অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, ইউনূস সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে।
ইউনূস বলেছেন, “যখন নির্বাচন হবে এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন আমরা তাদের দায়িত্ব ছেড়ে দেব।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ তাঁদের বলতে চাইছে যে, নির্বাচন যখন হওয়ার, তখন হবে। কিন্তু রাজনীতিকেরা ক্ষমতার আসনে বসার জন্য বড্ড অধৈর্য হয়ে পড়ছেন।”
এদিকে, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও অন্যান্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইউনূস আশা প্রকাশ করেছেন যে, কমিশন তাদের কাজ সম্পন্ন করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই উত্তেজনা ও সংস্কারের দাবি নির্বাচনের সময়সূচি ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।




