খবর লাইভ : ভারতের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা তাঁর সাম্প্রতিক নিবন্ধে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ। তিনি বলেন, সরাসরি পাক সেনাবাহিনী ও সরকারি স্থাপনাগুলোর উপর আঘাত হানার দিকে মনোনিবেশ করবে। তিনি বলেন, ভারত আর শুধু জঙ্গি ঘাঁটিতে নয়, বরং পাকিস্তানের সামরিক ও প্রশাসনিক পরিকাঠামোর উপরও আঘাত হানবে। এই পরিবর্তনশীল কৌশল ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতিফলন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তান সরকার সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়া বন্ধ করেনি, বরং তা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকার এখনও সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্য করে চলেছে, যা ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। রাজনাথ সিং ভুজ সামরিক ঘাঁটিতে গিয়ে পাকিস্তানের বহাওয়ালপুর এলাকায় জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি ধ্বংস করার পর সেখানে পুনর্গঠনের জন্য ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছেন।
ভারতের সামরিক বাহিনী এই নতুন কৌশলের মাধ্যমে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো পাকিস্তানের সামরিক ও প্রশাসনিক পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা, যাতে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমে নিয়োজিতদের উপর চাপ সৃষ্টি করা যায়।
ভারতের এই নতুন সামরিক কৌশল আন্তর্জাতিক মহলে এক নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, যেখানে সামরিক কৌশল ও কূটনৈতিক তৎপরতা একত্রে কাজ করবে।
এই পরিস্থিতিতে, ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতি নিবিঘ্নভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।




