Special News Special Reports State

বিকাশ ভবনে আজও ধুন্ধুমার, চাকরিহারা শিক্ষকদের ফের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা

0
(0)

খবর লাইভ  :  বৃহস্পতিবার রাতের পর শুক্রবার সকালেও উত্তেজনা কমেনি বিকাশ ভবনে। সকাল থেকেই সেখানে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা, যারা তাদের দাবি ফের জানাতে এসেছিলেন। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ফের তারা মূল গেটে এসে বিক্ষোভে বসেন। তাদের একমাত্র দাবি, ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ প্রকাশ করতে হবে। এদিকে, এলাকা জুড়ে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চাকরি ফেরতের দাবিতে পথে নামেন এসএসসি ২০১৬ প্যানেলের ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা। তারা বিকাশ ভবন চত্বরের মূল গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন, যার ফলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং রাতের দিকে শিক্ষকদের সরিয়ে দেয়। তবে, শুক্রবার সকালেই শিক্ষকরা ফের আন্দোলনে যোগ দেন এবং মূল ফটকের সামনে পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে বিক্ষোভ করতে শুরু করেন।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান।
অন্যদিকে, বিক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পুলিশের উপস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বিকাশ ভবন চত্বরে পুলিশের একাধিক আধিকারিক মোতায়েন রয়েছেন। তবে, সরকারের তরফ থেকে জানা গেছে যে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা এবং সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়ার জন্য বিধাননগর পুলিশ একাধিক ধারায় চাকরিহারা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেল বাতিল হওয়ার পর প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রাখা হবে। তবে, রাজ্য সরকার এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে এবং বিষয়টি এখনও আদালতের বিচারাধীন রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চাকরিহারা শিক্ষকেরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন এবং দাবি করেছেন যে, তাদের পুরো মেয়াদ পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রাখা হোক।

বিকাশ ভবনের বাইরে এক নতুন উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, এবং আন্দোলনকারীরা এখনও তাঁদের দাবির প্রতি অনড় রয়েছেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *