Special News Special Reports State

ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের চাপ, ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর নির্দেশ

0
(0)

খবর লাইভ  :  পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) বকেয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্দোলন এখন সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে। রাজ্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট  অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলেছিলেন, আমরা এই মামলার সমস্ত রায় পর্যালোচনা করেছি। হাইকোর্টের দুই বিচারপতি বকেয়া ডিএ দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। এটি অবশ্যই কোনও অধিকার নয়, তবে এর মানে এই নয় যে টাকা দেব না। অন্তত ২৫ শতাংশ টাকা দেওয়া উচিত।

রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এই বিষয়ে বলেন, এত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য আমাদের নেই। আমি আমার কর্মীদের কাছে কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে পারছি না। যদি এত টাকা দিতে হয়, তাহলে আমরা রাজ্য চালাতে পারব না।

রাজ্য সরকার মামলার শুনানি নিয়ে আরও সময় চেয়েছিল, তবে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে কোনও বাড়তি সময় দিতে রাজি হয়নি। বিচারপতিরা নির্দেশ দিয়েছেন যে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে।

মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতের কাছে আবেদন জানান, এই মামলার দিকে  হাজার হাজার সরকারি কর্মী চেয়ে আছেন। দয়া করে কিছু একটা নির্দেশ দিন যাতে তারা ন্যায্য পাওনা পেতে পারে। বিচারপতিরা এরপর নির্দেশ দেন, অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের প্রায় ১২৫ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। আগামী অগাস্ট মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৫৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পান, whereas রাজ্য সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ ডিএ পান। অর্থাৎ, কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে প্রায় ৩৭ শতাংশের তফাৎ রয়েছে। এই মামলার রায়ের পর, রাজ্য সরকারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বড় চ্যালেঞ্জ হলো, কিভাবে এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে, তাও আবার এমন পরিস্থিতিতে যেখানে তাদের দাবি পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *