খবর লাইভ : নিয়ন্ত্রণরেখায় চলমান উত্তেজনার জেরে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গমের আটা ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য মজুত শুরু করেছে সেখানকার প্রশাসন। তৈরি রাখা হচ্ছে জরুরি তহবিল, যার সাহায্যে প্রয়োজনীয় রসদ সংরক্ষণ ও বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পাক সংবাদমাধ্যম ডন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে ঝিলাম, নীলম, হাভেলি, কোটলি, পুঞ্চ এবং ভিমবের জেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত দু’মাসের খাদ্য মজুত করে রাখা হচ্ছে। এসব অঞ্চলে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান কিংবা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা থাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
খাদ্য বিভাগের প্রধান চৌধুরি আকবর ইব্রাহিম জানিয়েছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি আনোয়ারুল হকের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংবেদনশীল এলাকায় থাকা খাদ্য ডিপো সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কাজও চলছে।
গত ১০ দিন ধরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়ছে। প্রতিরাতে পাকিস্তানি সেনার গুলির জবাবে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে ভারতীয় বাহিনী। এই প্রেক্ষাপটে খাদ্য মজুতের বিষয়টি নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
প্রতিবছর শীতের সময় খাদ্য সরবরাহে অসুবিধার কথা মাথায় রেখে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় খাদ্য মজুত করা হলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ডনের প্রতিবেদন বলছে, এবার নিয়ন্ত্রণরেখার বাইরেও বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য মজুত শুরু হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার দায় পাকিস্তানের দিকে নির্দেশ করে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখায় ভারত। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।




