খবর লাইভ : সরকারি জায়গা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির জাঙ্গিপাড়ায়। জাঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি নির্মাণ গড়ে উঠলেও ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর যেন ‘অপদার্থতা’র ভূমিকা পালন করছে।
আর তার খেসারত দিতে হচ্ছে স্থানীয় লোকজনকে। সম্প্রতি জাঙ্গিপাড়ার বেশ কিছু বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীকে। তাঁর যে অভিযোগগুলো সত্য তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
জাঙ্গিপাড়ার রসপুরে সরকারি জায়গা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। সেই তথ্য খবর লাইভের হাতে এসেছে। রসপুরে একের পর এক পুকুর ভরাটও করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই জাঙ্গিপাড়ার ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর যেন ঠুঁটোর ভূমিকা পালন করেছে। রসপুর ছাড়াও জাঙ্গিপাড়ার চন্দনপুর মোড়ের কাছে পুকুরের ওপর বেআইনি নির্মাণ করছে। এক্ষেত্রে অবশ্যই জাঙ্গিপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্যের আত্মীয় জড়িত বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ। ওই দুই জায়গারই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে নবান্ন মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ পাঠিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
জাঙ্গিপাড়ার পাশাপাশি চণ্ডীতলা থানার ভগবতীপুরের সিংজোর মোড়ের কাছেও বেআইনিভাবে পুকুরের ওপর নির্মাণ হচ্ছে। এক্ষেত্রেও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। চণ্ডীতলার সার্কেল ইন্সপেক্টর সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায় বিষয়টি জেনে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে জাঙ্গিপাড়ার ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘আমরা হাই কোর্টে এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে মামলা করব। তৃণমূল আমলে বেআইনি কাজ বৈধ হয়ে গেছে।’
নবান্নের এক আমলা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার। তাই যারা এই কাজ করেছে তাদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।




