খবর লাইভ : আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পড়ুয়া আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন তিনি নিজেই। তিনি বললেন, কারও চাপে নয়, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক খেলা চলছে। তিনি আরও বলেন, পড়ুয়ারা এটাই চেয়েছিলেন। তাই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। এবার হয়ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে যোগ দেবেন।
সন্দীপ ঘোষ বলেন, ‘পড়ুয়ারা এটাই চেয়েছিলেন যে আমি পদত্যাগ করি। মানুষও এটাই চেয়েছিলেন। আসলে আমার বিরুদ্ধে একটা রাজনৈতিক খেলা চলছে। ‘ তার দাবি, তার মুখে কথা বসিয়ে রাজনৈতিক খেলা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে পোস্ট করা হয়েছে। অধ্যক্ষ বলেন, অনেকেই বলছেন আমি সরকারের পক্ষে কথা বলছি। হ্যাঁ ,আমি সরকারি কর্মচারী। সরকারের দায়িত্ব আমি শেষ মুহূর্ত অবধি পালন করব, যতক্ষণ আমার প্রাণ থাকবে।
আরও পড়ুনঃ শিবের মাথায় জল ঢালতে হুড়োহুড়ি, বিহারে পদপিষ্ট হয়ে মৃত সাত
এদিকে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখের কথায় বিশ্বাস করি না, লিখিত আকারে পদত্যাগপত্র চাই। যা ঘটেছে তার দায় কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে, দাবি আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের। পড়ুয়া-চিকিৎসকদের দাবি, কর্মবিরতির ৭০ ঘণ্টা পার, এখনও কেউ তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে আসেনি। পুলিশ কমিশনারও বলতে পারেননি, খুনের ঘটনায় ধৃত একাই জড়িত কি না। হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তারা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়া-চিকিৎসকরা।
আর জি করের ঘটনার পর থেকেই অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করে আসছেন ছাত্র – ছাত্রীরা। অত রাতে সেমিনার হলে চিকিৎসক কী করছিলেন , এই প্রশ্ন অধ্যক্ষ কীভাবে করেন, তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এক্স হ্যান্ডেলে আরজি কর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড ও অপসারণের দাবি জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। পাশাপাশি, আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, আরজি করের প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষকে স্ক্যানারে রাখা উচিত। দু-বার অপসারণের পর ফের আরজি করের প্রিন্সিপাল হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। অত্যন্ত প্রভাবশালী আরজি করের প্রিন্সিপাল।




