খবর লাইভ : কোনও গান স্যালুট নয়। সরকারি কোনও ব্যবস্থাপনাও গ্রহণ করা হবে না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শেষযাত্রায় এমনই সিদ্ধান্তে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের। বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াণের পরেই পাম অ্যাভিনিউ’য়ের বাড়ি ছুটে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার পূর্ণদিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্যান স্যালুট দেওয়ার কথাও জানান প্রশাসনিক প্রধান। কিন্তু সেই প্রস্তাব রাখা হচ্ছে না বলেই খবর। এই প্রসঙ্গে সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এমন একজন মানুষ ছিলেন তাঁর কাছে মানুষের স্যালুটই যথেষ্ট।
অন্যদিকে সেলিম জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে একাধিক নেতার মৃত্যু হয়নি। কিন্তু কোনও সৌজন্য দেখানো হয়নি। গান স্যালুটের কোনও প্রশ্নই আসে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন বর্ষীয়ান এই বাম নেতা। সূত্রের খবর, মীরা ভট্টাচার্যের স্ত্রী নিজেও স্যান স্যালুট চাইছিলেন না। আর তা নেতৃত্বকে জানানো হয়। সেই মতো এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, গান স্যালুটের পর অন্য কোনও কর্মসূচি রাখা যায় না। কিন্তু বাম নেতৃত্বের একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। প্রথমে ঠিক ছিল বিধানসভাতে সম্ভবত দেওয়া হতে পারে এই সম্মান। কিন্তু এরপর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট সহ একাধিক দফতরে। এরপর প্রথা মাফিক শেষকৃত্য হবে না।
অনিল বিশ্বাস, জ্যোতি বসুদের পথে হেঁটেই দেহদান করে গিয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । এই অবস্থায় আর কোথাও এই সম্মান দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে সেলিম জানিয়েছেন, সাধারণ জীবন যাপনেই অভ্যস্ত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আড়ম্বরহীন ভাবেই তাঁর বিদায় জানানো হবে।
বলে রাখা প্রয়োজন, পিস ওয়ার্ল্ড থেকে আজ শুক্রবার সকালে বের হয় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মরদেহ। শববাহী গাড়িতে শোয়ানো হয় নিথর দেহ। গোটা গাড়ি লাল গোলাপ দিয়ে সাজানো রয়েছে। শববাহী গাড়ির চারদিকে মোড়া রয়েছে লাল পতাকা। যে লাল পতাকাকে সম্বল করে আমৃত্যু সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে গিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।




