খবর লাইভ : পুরীতে জনজোয়ার নামল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রোড-শোতে। সোমবার ওড়িশার পুরীর মন্দিরের সামনেই গ্রান্ড রোড ধরে রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাকে দেখতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছিলেন কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী রোড-শো শুরু করতেই চারিদিক থেকে পুষ্পবৃষ্টি হয়। বিজেপি প্রার্থী সম্বিত পাত্র ও বিজেপি বিধায়ক জয়ন্ত সারাঙ্গির হয়ে প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মারচিকোট চক থেকে রোডশো শুরু হয়।
আরও পড়ুনঃ ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রথমবার ভোট দিলেন বলিউডের খিলাড়ি!
এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভোটপ্রচারের হাতিয়ার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের হারিয়ে যাওয়া চাবি। সোমবার ওড়িশায় নির্বাচনী সভার আগে জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই অঙ্গুলের জনসভায় কয়েক বছরের পুরনো ওই ‘চাবি রহস্যে’র অবতারণা করেন তিনি। মোদি বলেন, দ্বাদশ শতকে তৈরি এই প্রাচীন মন্দির বিজেডির শাসনে নিরাপদ নয়। গত ছ’বছর ধরে জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবির খোঁজ নেই। আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফায় পুরী, কটক, ভুবনেশ্বর-সহ ওড়িশার একাংশে ভোট। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
২০১৮ সালে ওড়িশা হাই কোর্টের নির্দেশে দরজা খুলেছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের কিংবদন্তিমুখর রত্নভান্ডারের। সে বার রত্নভান্ডারের তিনটি চাবির একটির ‘অন্তর্ধান’ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। হাই কোর্টের নির্দেশে সে বছর রথযাত্রার সময়ে ভান্ডারের কিছু সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ। কিন্তু তৃতীয় চাবিটির খোঁজ মেলেনি। খোলা হয়নি রত্নভান্ডারের অন্দরের প্রকোষ্ঠও।
পুরীর মন্দিরের দেবতা জগন্নাথের মাথার ব্রহ্মজ্যোতি হিরে, বলরামের মাথার নীলা বা সুভদ্রার মাথার মানিক রত্নভান্ডারের বাহির-ভান্ডারে রাখা থাকে। অন্দরের ভান্ডারে কী রয়েছে তা নিয়ে জল্পনা দীর্ঘ দিনের। শেষ বার ভান্ডারের সম্পদের খতিয়ান নেওয়া হয়েছিল ১৯৭৮-এ! তার পরে ’৮৪ সালে জগন্নাথের স্বর্ণচিতার মেরামতির দরকারে কিছু সোনার খোঁজে ভিতর-ভান্ডার খোলা হয়। সেই শেষ!




