Special News Special Reports State

‘গ্রিন করিডর’ গড়ে নি:শব্দে শাহজাহানকে নিয়ে ভবানী ভবনে পৌঁছল রাজ্য পুলিশ

0
(0)

খবর লাইভ : ধৃত শেখ শাহজাহানকে কলকাতার ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে নিয়ে এল পুলিশবাহিনী। বসিরহাট আদালত থেকে সরাসরি সন্দেশখালিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতাকে ভবানী ভবনে নিয়ে আসা হয়। সংবাদমাধ্যমের চোখে ধুলো দিয়ে বসিরহাট থেকে বেরিয়ে বাসন্তী হাইওয়ে ঘটকপুকুর, ভোজেরহাট পেরিয়ে সায়েন্স সিটি পেরিয়ে শাহজাহানকে কলকাতায় নিয়ে এসেছে পুলিশ। যে ভাবে তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে, তাতে স্পষ্ট যে, ওই পরিকল্পনা আগে থেকেই করা ছিল। গোটা রাস্তা কার্যত যানবাহন শূন্য করে দেওয়া হয়েছিল। একপ্রকার ‘গ্রিন করিডর’ গড়ে বিনা হইচইয়ে শাহজাহানকে নিয়ে ভবানী ভবনে পৌঁছয় রাজ্যপুলিশ। আগামী ১০ দিন তাঁকে সেখানেই রাখা হবে। সেখানেই তাঁকে দফায় দফায় জেরা করবেন রাজ্য পুলিশের পদস্থ অফিসারেরা।

বৃহস্পতিবার গ্রেফতারির পর বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে। বিচারকের কাছে তাঁকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান শাহজাহানের আইনজীবী। তবে পাল্টা পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সব বিস্ফোরক নথি তুলে ধরে। পুলিশের অভিযোগ, শেখ শাহজাহানকে তার নিজের এলাকায় প্রভাবশালী। তিনি জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারেন। তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার আগেই রাজ্যে দু’দফায় মোট ১৫০ কোম্পানি বাহিনী
বসিরহাট আদালতে পেশ করা হয় সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহানকে। এজলাসে ১০ মিনিটের সওয়াল জবাবেই বিস্ফোরক জবানবন্দি শেখ শাহজাহানের। শাহাজাহান বলেন, “ইডি-র হাতে গ্রেফতারির আশঙ্কায় হামলার নির্দেশ দিয়েছিলাম।” আদালতে জমা পুলিশের নথিতে শাহজাহানের স্বীকারোক্তির উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ ইডি-র ওপর সন্দেশখালিতে হামলা আদতে পূর্বপরিকল্পিত।

বুধবার রাতেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার তাঁকে তোলা হয় বসিরহাট আদালতে। দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া তাঁকে দাবি শাহজাহানের আইনজীবীদের। আদালত সূত্রে খবর, এ দিন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে বিচারক ১০ দিনের নির্দেশ দিয়েছেন।ইডির করা অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে শাহজাহানকে। সন্দেশখালির “বাঘে”র বিরুদ্ধে কী কী ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাও জানানো হল। পাশাপাশি পুলিশের তরফে যে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেই মামলাতেও শোন অ্যারেস্টের আবেদন জানানো হয়েছে।

বসিরহাট আদালত থেকে বেরোনোর খানিক পরেই সংবাদমাধ্যমের চোখে ধুলো দিয়ে শাহজাহানকে নিয়ে পুলিশের তিনটি গাড়ির কনভয় উধাও হয়ে যায়। দু’টি সাদা। একটি ধূসর রঙের। তিনটিই এসইউভি। তিনটিরই সামনে-পিছনে ‘পুলিশ’ লেখা স্টিকার রয়েছে। সাদা রঙের গাড়িটিতেই ছিলেন ধৃত শাহজাহান। সেটির মাথায় ছিল নীলবাতি। শাহজাহানকে মাঝের আসনের মাঝখানে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তাঁর দু’পাশে ছিলেন পুলিশের উর্দিধারী অফিসারেরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *