National Special News Special Reports

জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের বেসমেন্টে রাত তিনটায় পূজা-অর্চনা শুরু

0
(0)

খবর লাইভ : বারাণসি জেলা আদালত বুধবার নির্দেশ দিয়েছিলেন, জ্ঞানবাপি চত্বরের এক বেসমেন্টে হিন্দুদের পূজা-অর্চনা করার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে সাত দিনের সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল। ১২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেই পূজা শুরু হয়ে গেল।

বুধবার রাত তিনটায় মসজিদ চত্বরের সেই ভূগর্ভস্থ কক্ষে (সেলার) পূজা-অর্চনা ও আরতি করা হয়েছে বলে জেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ও জ্ঞানবাপি মসজিদ বিতর্কের এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

জেলা জজ কৃষ্ণ মোহন পান্ডে ওই বেসমেন্টে পূজার অনুমতি দেন। গতকালই ছিল তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন।দ্রুত পূজা-অর্চনার আয়োজন করতে বুধবার রাত ১২টায় বারানসির জেলা শাসক এস রাজালিঙ্গম ও জেলার পুলিশ কমিশনার অশোক জৈনর সঙ্গে হিন্দুরা বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত হয়। রাত তিনটায় কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আরতির সময়েই বেসমেন্টে শুরু হয় আরতি ও পূজা-অর্চনা।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জেলা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই রাতারাতি পূজা শুরু হয়ে যায়। হিন্দুদের দাবি অনুযায়ী কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহ ছিল বিশাল। মোগল আমলে সেই গর্ভগৃহে প্রাচীর তুলে কয়েকটি কক্ষ তৈরি হয়। তার ওপরেই খাড়া করা হয় জ্ঞানবাপি মসজিদ। সেই কক্ষগুলোর একটি ছিল এক ‘ব্যাস’ পরিবারের। ওই কক্ষের পরিচিতিও তাঁর নামেই—‘ব্যাস জি কি তেহখানা’।

৩০ বছর আগে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর উত্তর প্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদবের শাসনামলে ওই তেহখানায় পূজা-অর্চনা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলা আদালত। মসজিদের অভ্যন্তরে হিন্দু দেব দেবীর নিত্য–আরাধনার দাবিতে মামলাকারীদের অন্যতম আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘এত দিনে এক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো।’ মসজিদ কমিটির পক্ষে আখলাখ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ওই বেসমেন্টে ‘ব্যাস’ পরিবার কোনো দিন পূজা করেনি। সেখানে কোনো মূর্তিও কোনো দিন ছিল না। বেজমেন্টটিও রয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষের হাতে। যা হচ্ছে, তা অন্যায়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *