Special News Special Reports State

বছরের শুরুতেই তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব কুণাল, অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব

0
(0)

খবর লাইভ : প্রবীণ-নবীনকে একসঙ্গে পা মিলিয়ে চলার বার্তা দিয়ে বছর শেষ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, ‘পুরনো চাল ভাতে বাড়ে, নতুন চাল আগে বাড়ে’। অথচ বছরের শুরুতেই তৃণমূলে নতুন-পুরনোর টানাপোড়েন। ১ জানুয়ারি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর আজই দলের প্রবীণ-নবীনদের মধ্যে প্রকাশ্য-তরজা। একদিকে সুব্রত বক্সি, অন্যদিকে কুণাল ঘোষ। দলের অন্দরেই বলা হয়, একজন প্রবীণ তৃণমূলের মুখ, অন্যজন নবীনের। প্রথমজন দলের রাজ্য সভাপতি, দ্বিতীয়জন মুখপাত্র। আর তাঁদের তরজার ‘ভরকেন্দ্র’ দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সুব্রত বক্সি বলেন, “বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে যে নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি লড়াই করেন, নিশ্চিতভাবে আমার ধারণা তিনি লড়াইয়ের ময়দান থেকে পিছিয়ে যাবেন না। যদি লড়াই করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই লড়াই করবেন।”বক্সীর কথায় তৃণমূলের একাংশ যে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছে, তা হল প্রকারান্তরে এটা বলা যে, অভিষেক লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে যেতে চাইছেন। বস্তুত, বক্সীর কথায় ‘যদি লড়াই করেন’, ‘পিছিয়ে যাওয়া’ ইত্যাদি শব্দবন্ধে ঠারেঠোরে একটা পলায়নী মনোবৃত্তির দিকে আঙুল তোলা হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

আরও পড়ুনঃ বর্ষবরণে পর্যটকদের ঢল নেমেছে সুন্দরবনে,লঞ্চ বন্ধে হতাশ সবাই

এদিকে বক্সির এই মন্তব্যের পরই কুণাল ঘোষের নিশানায় দলের রাজ্য সভাপতি। কুণাল ঘোষ বলেন, “অভিষেক নিজেই যথা সময়ে তাঁর বক্তব্য জানাবেন। তবে অভিষেক পিছিয়ে যাবেন না, এই পিছিয়ে শব্দটা অভিষেকের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হতে পারে না। বাক্য গঠনটা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।”
পুজোর পর থেকেই অভিষেককে সে ভাবে দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। অনেকের বক্তব্য, তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ দূরে দূরে থাকছেন। এ নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে চোরাস্রোত বইছিলই। তার মধ্যেই গত শনিবার অভিষেককে বোঝাতে তাঁর কালীঘাটের অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন কুণাল, ব্রাত্য বসু, পার্থ ভৌমিক, তাপস রায়দের মতো নেতারা। যাঁরা তৃণমূলের অন্দরে ‘অভিষেক-ঘনিষ্ঠ’ হিসেবেই পরিচিত। তাঁরা আর্জি জানিয়েছিলেন অভিষেককে ‘সক্রিয়’ হওয়ার জন্য। কিন্তু ঘনিষ্ঠদের আর্জি ফিরিয়ে অভিষেক জানিয়ে দেন, লোকসভা ভোটে তিনি কেবল ডায়মন্ড হারবারেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখবেন। দলের নীতিনির্ধারণ বা সংগঠন পরিচালনার ভূমিকায় তিনি অবতীর্ণ হবেন না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *