Special News Special Reports State

সারাদিন বাকযুদ্ধের পর মমতার কাছে অভিষেক-ফিরহাদ, কিন্তু কেন?

0
(0)

খবর লাইভ : তৃণমূলের ২৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসে নানা অনুষ্ঠানে নানা মন্তব্য পাল্টা ঘিরে সরগরম রাজ্যের শাসকদলের অন্দরমহল। কোথাও নবীন-প্রবীণ বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন দলের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথাও আবার দলের প্রবীণ নেতাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর রাজ্য সঙাপতি সুব্রত বক্সী মন্তব্য করেছেন, আমাদের ধারণা অভিষেক লড়াইয়ের ময়দান থেকে পিছিয়ে যাবেন না। যদি লড়াই করেন, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে লড়াই করবেন উনি।’’ এই মন্তব্যের প্রকাশ্য প্রতিবাদ করেন কুণাল।সেই আবহেই দলের সর্ব্বোচ্চ নেত্রীর দ্বারস্থ হলেন অভিষেক-ফিরহাদ।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টার খানিক আগে মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে যান ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। তার পরেই কালীঘাটে পৌঁছান মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতাদের পরস্পরের বিরুদ্ধে মন্তব্য, পাল্টা মন্তব্যের বিরুদ্ধে এ বার কড়া পদক্ষেপ নিতে চায় দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই একে একে দলের নেতাদের কালীঘাটে ডেকে পাঠাচ্ছেন মমতা স্বয়ং।

আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক্সে অংশ নেওয়া দূরপাল্লার দৌড়বিদ বেঞ্জামিন খুন!

শনিবারই কালীঘাটে নিজের ঘনিষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভোটের সময় নিজেকে ডায়মন্ড হারবারে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলেছেন অভিষেক।এরপর রবিবারই তাঁকে বাড়িতে ডেকে পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, দলের বেশ কয়েক জন নেতার মুখে লাগাম পরাতে চাইছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। কারণ এভাবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাই যদি প্রতিনিয়ত পরস্পরের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে থাকেন, তা হলে রাজ্যবাসীর কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে।এখন দেখার স্বয়ং নেত্রী এর বিরুদ্ধে আদৌ কোনও ব্যবস্থা নেন,নাকি এই বাকযুদ্ধ্ থামাতে পারেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *