খবর লাইভ : গত বছর খোদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজ্যের বিরুদ্ধে মশাবাহিত এই রোগের তথ্য না জানানোর অভিযোগ তুলেছিলেন। আর এ বছর কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটেই নেই রাজ্যের ডেঙ্গি-তথ্য। পরিসংখ্যানের বদলে সেখানে লেখা রয়েছে ‘এনআর’, অর্থাৎ সেটি রেকর্ডে নেই!
আগে সাপ্তাহিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হত। প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে তা পাঠানো হত। কিন্তু এ বার তা করা হচ্ছে না বলেই সূত্রের খবর। এ দিকে, পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে ওঠায় তিন-চার দিন অন্তর জরুরি বৈঠকে বসছে রাজ্য প্রশাসন। সেখানে বিভিন্ন পদক্ষেপ করা হচ্ছে। রীতিমতো বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোথাও এই মরসুমে, অর্থাৎ, জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। এমনকি, অগস্ট থেকে ডেঙ্গির সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হতেই স্থানীয় পুরসভা ও স্বাস্থ্য দফতরের চাপে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও পরীক্ষাগারগুলিও। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্টেও ডেঙ্গি লেখা হচ্ছে না।
আরও পড়ুনঃ কেন অ্যান্টি র্যাগিং নিয়মাবলী মানা হয়নি? যাদবপুরের কাছে কৈফিয়ত তলব ইউজিসি’র
‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বোর্ন ডিজ়িজ় কন্ট্রোল’-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেশের ডেঙ্গি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮ থেকে শুরু করে ২০২২ পর্যন্ত ৩৬টি রাজ্যের মোট ডেঙ্গি আক্রান্ত ও মৃতের পরিসংখ্যান রয়েছে। পাশাপাশি, এ বছরের জুলাই পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যারও উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের কোনও তথ্য নেই।




