Special News Special Reports State

আরজিকরে নতুন অধ্যক্ষকে ঢুকতে বাধা,‘শাসালেন’ প্রাক্তনের দেহরক্ষীই!

0
(0)

খবর লাইভ : আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষকে ঘিরে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। শুক্রবার মেডিক্যাল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ ডা. মানস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের অনুগামীরা তাঁকে ঢুকতে বাধা দেয়।নতুন অধ্যক্ষকে শাসানোর অভিযোগ উঠল প্রাক্তন অধ্যক্ষের দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। তাঁদের দাবি, মানসবাবুকে কাজে যোগ না দেওয়ার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি যোগ দিয়েছেন। এই খবর পেয়ে এদিন সেখানে পৌঁছে যান রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ শান্তনু সেন। পরিচিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়।

পরে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নিয়ে একটি বৈঠক করে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামীকাল নিজের চেম্বারে বসবেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ।প্রসঙ্গত, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বদলির নির্দেশিকা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের অর্থপেডিক বিভাগের অধ্যাপক পদে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় এসেছেন বারাসত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মানস বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার তিনি আরজিকরে কাজে যোগ দিতে গেলে তাঁকে বাধা দেয় সন্দীপ ঘোষের অনুগামীরা।
তারপর থেকেই পড়ুয়াদের আন্দোলন অব্যহত রয়েছে। তাদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে এই নিদেশিকা জারি করা হয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছলে তারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। তারা চাইবেন যেন সন্দীপ ঘোষকেই অধ্যক্ষ হিসেবে রাখা হয়। তাদের বক্তব্য, সন্দীপ ঘোষ অধ্যক্ষ থাকাকালীন অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তাই তারা তাঁকেই অধ্যক্ষ হিসেবে চান।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের কাছে ম‍্যাচ হেরে কী বললেন রোহিত?
এদিন সকালে ডা. মানস বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা দিতে গিয়েছিলেন একদল পড়ুয়া। অভিযোগ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের অনুগামীরা তাঁদের বাধা দেয়। এদিন অবশ্য দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পর নিজের অফিস অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে যান। এরপরেই বৈঠক হয়। এদিন বৈঠক শেষে শান্তনু সেন বলেন, ছাত্রদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা কথা দিয়েছে আগামীকাল তারা নিজেই অধ্যক্ষকে সসম্মানে তাঁর চেম্বারে নিয়ে গিয়ে বসাবে। আগের অধ্যক্ষ ভালো কাজ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই ওনার সঙ্গে ছাত্রদের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তাই তারা কিছুতেই ছাড়তে পারছিলেন না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *