Special News Special Reports State

নির্বাচন কমিশনারকে নিরপেক্ষ থাকার পরামর্শ রাজ্যপালের

0
(0)

খবর লাইভ : রাজভবনে গেলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। রবিবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে রাজভবনে পৌঁছন রাজীব। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। এই জন্য কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। রবিবার রাজভবনে দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে এমনই পরামর্শ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনা হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। এখনও পর্যন্ত ভোটের জন্য কী কী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যপালকে তা জানান রাজীব। বৈঠকে রাজ্যপাল পরামর্শ দেন, আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করুন। ভোটে অশান্তি কোনও ভাবেই যেন বরদাস্ত না করা হয়। শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশনের যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যাতে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হয়, সে ব্যাপারেও রাজীবকে বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। স্পর্শকাতর বুথে অতিরিক্ত নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন রাজ্যপাল বোস।
এর আগে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে অশান্তির আবহে রাজীবকে রাজভবনে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে রাজভবনে যাননি রাজীব। এর পর, গত বুধবার রাজীবের জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠান রাজ্যপাল বোস। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি নাটকীয় মোড় নেয়। সেই নিয়ে বিতর্কের আবহে রবিবার বিকেলে রাজভবনে যান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার।

আরও পড়ুনঃ ডিআরএমের স্ত্রীকে রেলের নিয়ম মানতে বলে শাস্তির মুখে রেলকর্মী, করা হল ‘অর্ধনগ্ন’
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে রাজীবের নিয়োগ নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধীরা। বিশেষত, রাজীবের নিয়োগ নিয়ে গোড়া থেকেই ‘আপত্তি’ জানিয়ে এসেছে বিজেপি। এ জন্য রাজ্যপালকেও আক্রমণ করতে পিছপা হননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই আবহে গত বুধবার রাজীবের যোগদান রিপোর্ট ফেরত পাঠান রাজ্যপাল। যা ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তার পর রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাৎ হল রবিবার।

রবিবার সকালে জোড়াসাঁকোর রথীন্দ্র মঞ্চে বিবেকানন্দ সেবা সম্মান অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানেই রাজ্যপাল বলেন, “আমি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ডাকিনি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেই বৈঠকের জন্য আমার কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। আমি জানাই, পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কমিশনারের সঙ্গে কথা বলতে চাই। যদি তিনি আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকেন তাহলে তিনি যে কোনও দিন আসতে পারেন।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *