খবর লাইভ : মেঘালয়ে নির্বাচনী প্রচারে মমতা-অভিষেক। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে গেলেন তৃণমূলের দুই শীর্ষনেতৃত্ব। এদিন উত্তর গারো পাহাড়েই তৃণমূলের সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তৃতা করেন দুজনেই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেঘালয়কে স্যালুট জানাই। এর পর যখন আসব, আপনাদের স্থানীয় ভাষা শিখে নেব৷ আপনারা আমাকে শিখিয়ে দেবেন। ইউটিউব দেখে আমি ততক্ষণ শিখব। আপনারা এখন রাজনৈতিক ভাবে ক্ষুধার্ত। জেনে রাখুন তৃণমূলের একমাত্র গ্রহণযোগ্যতা আছে।
আরও পড়ুনঃ ফের অস্ট্রেলিয়ায় হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা
এরপরেই সে রাজ্যের বিজেপি সমর্থিত এনপিপি সরকারকে নিশানা করতেকরতে শুরু করেন মমতা। বলেন, “গত ৫ বছরে এখানে সরকার কী করেছে? আপনাদের রিপোর্ট কার্ড কোথায়? টেলিপ্রম্পটার রেডি রাখে, আর সেখান থেকে দেখে স্পিচ পড়ে৷ আর মেঘালয়ের মানুষ আমার হৃদয়ে আছে।”
অঙ্কের হিসাবে মেঘালয়ে তৃণমূল এখন প্রধান বিরোধী দল। সামনের নির্বাচনে মেঘালয়ের শাসন ক্ষমতা দখল করতে কার্যত মরিয়া ঘাসফুল শিবির। মেঘালয়ের যুবসমাজকে আকৃষ্ট করতে ইতিমধ্যেই এম ওয়াইই ও ডব্লুই কার্ডের কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। আনা হচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পও।
মমতা বলেন, বলেন, “আমি বাম শাসন থেকে আমার লড়াই শুরু করেছি৷ কংগ্রেস সাহায্য করেনি। আমি একাধিকবার শারীরিক ভাবে আক্রান্ত হয়েছি। যদিও আমি মাথা নীচু করিনি৷ রাজনীতি আমার পেশা নয়, রাজনীতি হল আমার প্যাশন। আমরা কৃষকদের সাহায্য করি৷
মমতা বলেন, “এখানে গুয়াহাটি থেকে ডিফ্যাক্টো চিফ মিনিস্টার আছে। প্রক্সি সরকার চলছে৷ এখানে অধিকাংশ জায়গায় বিদ্যুৎ নেই৷ আমরা আপনাদের ভালো সরকার উপহার দেব। আমরা এখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেব।”
আগামী ১৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি দু’ দফায় ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডে নির্বাচন হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ দিন উত্তর পূর্বের তিন রাজ্য়ে ভোটের দিন ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তিন রাজ্য়েই ভোটের ফল ঘোষণা হবে ২ মার্চ।




