খবর লাইভ : যে কোনো দলের ক্ষেত্রেই বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠাটাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। দলটি বিশ্বকাপ যদি না-ও জেতে, তারপরও বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলাটা ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াইয়ের পর আর্জেন্টিনার কাছে টাইব্রেকারে ফ্রান্স হেরে যাওয়ার পর ফরাসি ফুটবলের অন্ধকার দিকটা যেন সামনে চলে আসছে বারবার। প্রকাশ হয়ে পড়েছে দুর্দান্ত খেলে বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠা দলটির নানা সমস্যা, নানা বিতর্ক।
আরও পড়ুনঃ বেনজির,আরজিকরে ময়নাতদন্তের দেহ সটান চলে গেল প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে!
ফ্রান্স ফুটবল সর্বশেষ যে বিতর্কে কাঁপছে, সেটি হচ্ছে কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানকে নিয়ে ফেডারেশন সভাপতি নোয়েল লা গ্রায়েতের বিরূপ মন্তব্য। জিনেদিন জিদান । ফ্রান্সকে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার কারিগর। আর সেই জিদানকেই কি না কটাক্ষ করে বসলেন নোয়েল লা গ্রায়েত! ব্যাপারটি হজম হয়নি ফরাসি ফুটবলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারোরই। জিদানের কাছে ক্ষমাই চাইতে হয়েছে গ্রায়েতের।
সূত্রের খবর, জিদানকে কোচ করতে চায় ব্রাজিল। অন্যদিকে ফ্রান্সের কোচ হিসাবে দিদিয়ে দেশঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকে মনে করেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদকে এক সময় কোচিং করানো জিদান তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন। পরে অবশ্য দেশঁ-র সঙ্গেই চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নেয় ফ্রান্স ফুটবল সংস্থা। ফরাসি ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট গ্রায়েত বলেছেন, জিদানের যা মন চায় তাই করতে পারেন। জিদানকে যে ফ্রান্সের কোচ করা হবে, সে বিষয়ে কখনওই ভাবনাচিন্তা করা হয়নি। দেশঁকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতীও আমি কোনও সময়েই ছিলাম না।’ এমনকী জিদান যদি তাঁকে ফোনও করতেন, তাহলে তিনি ফোনই ধরতেন না বলে জানিয়েছেন গ্রায়েত। ফরাসি ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্টের এভাবে জিদানকে অসম্মান ভাল ভাবে মেনে নিতে পারেননি এমবাপে।
ফরাসি তারকা ট্যুইট করেছেন, ‘জিদানই ফ্রান্স। আমরা কিংবদন্তিকে অসম্মান করতে পারি না।’ এমবাপের বিস্ফোরণের পরে ফরাসি ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অনেকেই এমবাপের প্রতিবাদের প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে প্রাক্তন মহাতারকার প্রতি যে সম্মান দেখিয়েছেন এমবাপে, তা নিয়ে মুগ্ধ অনেকেই।




