খবর লাইভ : যে কোনও মুহূর্তে তলিয়ে যেতে পারে যোশীমঠ। এই আতঙ্কের মধ্যে মঙ্গলবার প্রথম ভাঙা হবে যোশীমঠের ২টি বিলাসবহুল হোটেল। বিপর্যয়ের জেরে একটির গায়ে আরেকটি হেলে পড়েছে ওই ২টি হোটেল। যার জেরে এলাকার বেশ কিছু বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।‘মাউন্ট ভিউ’ ও ‘মালারি ইন’ নামে এই ২টি হোটেলই প্রথম ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন চামোলি জেলা প্রশাসন। এই প্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি আর মীনাক্ষী সুন্দরম বলেছেন, ওই দুই হোটেল যন্ত্রের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হবে।
আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ফ্রান্স গোলরক্ষক হুগো লরিসের
হোটেলগুলি জনবহুল এলাকায় হওয়ায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। হোটেল দু’টি ভাঙা হলে যাতে আশপাশের এলাকায় কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকে জোর দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রুরকির সেন্ট্রাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের একটি দল ওই দুই হোটেলে সমীক্ষা চালিয়েছেন। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দলকে। হোটেলগুলি ভাঙার আগে এলাকা খালি করে দেওয়া হয়েছে।
চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা বলেছেন, আশপাশের নির্মাণগুলিতে সমীক্ষা চালানোর কাজ চলছে। বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রয়োজনে আরও অনেক নির্মাণ ভাঙা হবে। এখনও পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি বাড়িতে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সোমবার যোশীমঠে আরও ৬৮টি বাড়িতে নতুন করে ফাটল দেখা গিয়েছে। যার জেরে মোট ৬৭৮টি বাড়িতে ফাটল তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নিরাপদে সরানো হয়েছে আরও ২৭টি পরিবারকে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ৮২টি পরিবারকে ১৬টি অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
প্রাণ বাঁচাতে ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। কেউ ঠান্ডার মধ্যেই খোলা আকাশেই রাত কাটাচ্ছেন। হিমালয়ের কোলে এই জনপদে আরও কয়েকটি হোটেলে হেলে গিয়েছে। হোটেল স্নো ক্রেস্ট ও কামেতরও একই দশা। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, আড়াই হাজার বর্গফুট এলাকার মধ্যে যোশীমঠে প্রায় ৩ হাজার ৯০০টি বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়াও ৪০০টি বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে।




