খবর লাইভ : চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের হামলার মুখে হাওড়া-এনজেপি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সোমবারও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ হুগলির চন্দনপুল ও বর্ধমান স্টেশনের মাঝামাঝি ঢিল ছোড়া বলে অভিযোগ। সেমি হাই স্পিড ট্রেনটির সি ফাইভ কামরাকে উদ্দেশ্য করেই ছোঁড়া হয় পাথর। সেই ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। পাথর লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানলার কাঁচ। এদিকে খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্য়েই সোশাল মিডিয়ায় বন্দে ভারতে হামলার খবর ভাইরাল। ইতিমধ্যে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছেছে ট্রেন। খতিয়ে দেখা হচ্ছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ক্ষতিগ্রস্থ কোচটি।
রবিবারই হামলার মুখে পড়েছিল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। বিহারের বারসইতে ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। জানা গিয়েছে, রবিবার বারসই স্টেশন ছাড়ার পরই ট্রেনে চলে পাথর হামলা। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সি ১১ কামরাকে লক্ষ্য করে চলে পাথরবৃষ্টি। কামরার জানলায় চিড় ধরে। কিন্তু বারবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হামলার ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত যাত্রীরা। ট্রেনের এক যাত্রী জানান, রবিবার সন্ধ্যায় ট্রেন বারসই জংশন ছাড়ার পর বন্দে ভারতের সি ১১ কামরা লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই পরের স্টেশন মালদায় এসে দাঁড়ায় সেমি হাই স্পিড ট্রেনটি। তখনই বিষয়টি ভালোভাবে নজরে আসে যাত্রীদের।
বাংলায় বন্দে ভারতের চাকা গড়াতে না গড়াতেই এই নিয়ে মাত্র ৯ দিনে চারবার হামলার ঘটনা ঘটল এই সেমি স্পিড ট্রেনে। দ্বিতীয়বার হামলার পর সতর্ক হয়ে এই হামলা ঠেকাতে একাধিক ব্যবস্থা নেয় রেল। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। রবিবারের পর ফের সোমবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় রেল কর্তৃপক্ষের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রাজ্যে চলা প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢিল ছোড়া নিয়ে রাজনৈতিক তরজা আগেই শুরু হয়েছিল। ঢিল পশ্চিমবঙ্গের না বিহারের? তা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। অবশেষে রেলের তরফ থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশিত হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে কিষাণগঞ্জে রেলের উপর তিন চার জন কিশোর পাথর ছোড়ে। তাদের আটকও করে পুলিশ। এর আগে বিহার দিয়ে যাওয়ার সময় সেই রুটে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।




