খবর লাইভ : শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এ বার মুখ খুললেন হলদিয়ার আরমান ভোলা। হঠাৎ করেই কলকাতায় এসে সাংবাদিক সম্মেলন করে আরমান ভোলার দাবি, শুভেন্দু অধিকারী বিপথে চালিত করছেন যুবদের। নিজেকে শুভেন্দু অধিকারীর এক সময়ের ডান হাত বলে দাবি করা হলদিয়ার আরমান ভোলার বক্তব্য, তিনি ‘দাদার অনুগামী’ নন৷ প্রয়োজনে তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন। তাঁদের কাছে একাধিক তথ্য রয়েছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। তা নিয়েই আইনের সাহায্য চান। হঠাৎ করেই আরমান ভোলার এই বক্তব্যে শোরগোল পড়ে যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে৷
আরও পড়ুনঃ সরিয়ে দেওয়া হল বিধাননগর কমিশনারেটের প্রধান সুপ্রতিম সরকারকে
২০২০ সালে পূর্ব মেদিনীপুর-সহ গোটা রাজ্যে ‘দাদার অনুগামী’ পোস্টারে ছেয়ে যায়। শুভেন্দুকে ঘিরে তৈরি হয় নতুন এক গোষ্ঠী ‘অনুগামী’। সেই গোষ্ঠীর স্রষ্টা ছিলেন হলদিয়ার আরমান ভোলা-সহ মোট ৫ জন। এ বার তাঁরাই শুভেন্দু বিরুদ্ধে মুখ খুললেন। অভিযোগ, নিজের স্বার্থে জেলার ছেলেদের ভুল বুঝিয়েছেন শুভেন্দু। টাকা দিয়ে অনুগামী তৈরি করেছিলেন। রাজ্যজুড়ে প্রচার করিয়েছিলেন টাকার বিনিময়ে।
আরমান ভোলার আরও দাবি, “এক তৃণমূল নেতার ওপর শুভেন্দু অধিকারীর খুব রাগ। সেই রাগেই তো এসব করছেন। তখন বলতেন কলকাতার নেতারা জেলাকে বঞ্চনা করছে। এখন তো উনি নিজেই তাই করছেন।” নন্দীগ্রাম ভোটের সময়ও শুভেন্দুর হয়ে কাজ করেছিলেন আরমান ভোলারা। সেই সময় নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা করার পর তৎকালীন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা হয়। পায়ে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন তিনি।
আরমান ভোলার দাবি, সেদিন হলদিয়া থেকে প্রচুর ছেলে নন্দীগ্রাম গিয়েছিল বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে। কী উদ্দেশ্য নিয়ে সেটা অবশ্য সরাসরি পুলিশ বা আদালতে জানাবেন বলে দাবি করেছেন ভোলা। পাশাপাশি কীভাবে জেলার একের পর এক ভোট শুভেন্দু নিয়ন্ত্রণ করেছেন, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাঁর প্রাক্তন অনুগামী। আরমান ভোলা ও তাঁর সঙ্গীদের দাবি, নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে শুভেন্দুর থেকে সরে আসছেন। রাজ্য সরকারের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন ভোলা। ধীরে ধীরে শুভেন্দুর সমস্ত কু-কীর্তির প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন আরমান ভোলা।




