খবর লাইভ : বিজেপি’র নবান্ন অভিযানকে গুরুত্ব দিলেন না মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)৷ মঙ্গলবার খড়গপুরে দলীয় বৈঠকে বিজেপি’র নবান্ন অভিযানকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপি’র নবান্ন অভিযানে লোক হয়নি। ওদের বেলুন ফুস। ওদের গুরত্ব দেওয়ার দরকার নেই।’ পাশাপাশি বিজেপিকে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, তাঁরা যখন চাকরি দিচ্ছেন তখন বিজেপি নবান্ন অভিযান নিয়ে নজর অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুনঃ এ বার দুধের কন্টেনারে পাওয়া গেল কয়লা!
প্রসঙ্গত, বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে এদিন রণক্ষেত্র চেহারা নেয় কলকাতা-হাওড়া। বিজেপির এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি পুলিশ। যদিও অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই এদিন নবান্ন অভিযানে নামেন গেরুয়াশিবিরের নেতা-কর্মীরা। এদিকে মিছিল আটকাতে শহরের চারদিক ঘিরে ফেলে পুলিশ। বিভিন্ন রাস্তায় ব্যারিকেড লাগানো হয়। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ঠেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সাঁতরাগাছিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। তাঁরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। ছোড়া হয় জলকামান। একজন বিজেপি কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাঁতরাগাছির পাশাপাশি এদিন ধুন্ধুমার বেধে যায় হাওড়া ময়দানেও। ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সেখানে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের শেলও ছোড়া হয়। কলকাতা ও হাওড়া এদিন কার্যত রণক্ষেত্র রূপ নেয়। নবান্ন অভিযান শুরুর আগেই এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করা হয়। এছাড়া আটক করা হয়েছে রাহুল সিনহা ও লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও। বিরোধী দলনেতাকে প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ।




