খবর লাইভ : ১৩ সেপ্টেম্বর, নবান্ন অভিযানকে সুচারু ভাবে পরিচালনা করা ও অভিযানের প্রতিটি মুহূর্তের ওপর তীক্ষ্ণ নজরদারি জারি রাখতে ‘ওয়ার রুম’ খুলছে বিজেপি। আর সেই ওয়ার রুমে বসেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবেন রাজ্য বিজেপির নতুন সেনাপতি সুনীল বনসল৷
আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশে রদবদল, ব্যারাকপুরের নতুন সিপি অলোক রাজোরিয়া
রাজ্য বিজেপির দায়িত্ব নেওয়ার পর, নবান্ন অভিযানে নিজে যুক্ত হওয়ার কথা রাজ্য বিজেপিকে জানিয়েছিলেন সুনীল বনসল। সূত্রের খবর, নবান্ন অভিযানের দিন, রাজ্য বিজেপির দফতরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মোড়া ”ওয়ার রুম” থেকে অভিযানের দিকে নজর রাখা ও প্রয়োজনে নির্দেশ দেবেন রাজ্য বিজেপির নতুন সেনাপতি সুনীল বনসল।
বনসলের পাশেই থাকবেন রাজ্যে বিজেপির সংগঠনে দুই শীর্ষ নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী ও সতীশ ধন্ড। থাকবেন, সংগঠনের উত্তর কলকাতা ও হাওড়ার কয়েকজন পোড় খাওয়া নেতা। রাজ্য বিজেপির এক নেতার মতে, নবান্ন অভিযানের গোটা পরিকল্পনার নীল নকশা তৈরি করা থেকে শুরু করে, সুকান্ত, শুভেন্দু ও দিলীপ – এই তিন শীর্ষ নেতাকে অভিযানের বর্শাফলক করে, তিনটি মিছিল করার পরিকল্পনা ছকে দিয়েছিলেন বনসল।
থেকে।
এদিকে, সূত্রের খবর, অভিযানের সময় পুলিশকে ফাঁদে ফেলতে নানা ধরনের ”উস্কানি”দেওয়ার ‘গোপন” পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল বদল করে পুলিশকে কীভাবে ফাঁদে ফেলা যায়, সেই নির্দেশও আসবে ওয়ার রুম থেকে রিমোর্ট কন্ট্রেলে৷
সূত্রের খবর, নবান্ন অভিযানে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে চেষ্টার কোন কসুর করবে না বিজেপি। তার জন্য এ ধরনের আন্দোলনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন যুব মোর্চার বাছাই করা তরুণ ব্রিগেডকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
অভিযানের আগের দিন ১২ সেপ্টেম্বর, দলের চূড়ান্ত বৈঠকে তারা কে, কোথায় কী ভূমিকা পালন করবে তা নির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া হবে।
আর, এখানেই পুলিশের হাতে গুরুতর আহত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিজেপি। তাই আহত কর্মী, সমর্থকরা যাতে দ্রুত চিকিৎসার সুযোগ পায় তার দিকে বিশেষ নজর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বনসল। জানা গেছে, বনসলের নির্দেশে রাজ্য বিজেপির ডক্টরস সেলের তত্ত্বাবধানে তৈরি রাখা হচ্ছে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী চিকিৎসা শিবির, মোবাইল হসপিটাল এবং অ্যাম্বুলেন্স। পরিস্থিতি অনুযায়ী গুরুতর আহত কর্মীকে চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে যেতে থাকবে একাধিক বাইক এম্বুলেন্স। কেবলমাত্র এই জন্যই তিনটি মিছিলে সামিল করা হচ্ছে কয়েকশো স্বেচ্ছাসেবককে। ওয়ার রুম থেকে নিদৃষ্ট ভাবে এই বিষয়টির দিকে নজর রাখা ও প্রয়োজনে নির্দেশ দেবেন বনসালরা।




