Special News Special Reports State

পার্থর ২০১ ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর রিক্সাচালক-দিনমজুর!দাবি অর্পিতার

0
(0)

খবর লাইভ : রাজ্যে শিক্ষা-দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকা লুঠ ও দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলে অনবরত জেরা চলছে তাঁদের। দুর্নীতির জাল কতদূর বিস্তৃত, তার অনুসন্ধানে নেমে রীতিমতো হতবাক ইডির তদন্তকারী অফিসারেরা।

ইডি সূত্রে খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম ব্যবহার করা হয়েছে দিন-আনা-দিন খাওয়া মানুষের। তাঁদের কেউ দিনমজুর, কেউ বা রিক্সাচালক এবং প্রত্যেকেই হতদরিদ্র আর অল্পশিক্ষিত। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমের এমন বহু দরিদ্র মানুষকে নিজের বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর করেছিলেন পার্থ।
এমন বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডির তদন্তকারীরা। ইডি অফিসারদের দাবি, ওই সব দিনমজুর ও হতদরিদ্র মানুষের দাবি, তাঁরা যে কোনও সংস্থার ডিরেক্টর, তা তাঁদের জানা নেই। ওই সব পদের অধিকারী হিসাবে তাঁরা কখনও কোনও টাকাও পাননি। শুধু কোনও এক সময়ে তাঁদের দিয়ে এক ধরনের কাগজে টিপসই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন রিকশাওয়ালাও রয়েছেন।
তদন্তে ইডি জেনেছে, এসএসসি দুর্নীতিতে সরকারি চাকরি বিক্রির কালো টাকা প্রায় ২০১টি ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ করে করে সাদা করা হয়েছিল। জেল হেফাজতে থাকা পার্থ-বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জেরা করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার কৌশল জানা গিয়েছে। ভুয়ো সংস্থা মারফত শেয়ার কেনাবেচার মাধ্যমে প্রায় তিন কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *